Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
SIR case in Supreme Court

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও, মমতার সওয়ালেই ‘মান্যতা’ সুপ্রিম কোর্টের! AI টুল নিয়ে ভর্ৎসনা কমিশনকে

সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানিতে ফের রাজ্যের বাসিন্দাদের হয়রানি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। পাশাপাশি রাজ্য সরকার ৮,৫০০ জন কর্মী দিয়েছে কমিশনকে সে কথাও জানালেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৭:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৭:২৯

options
link
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও, মমতার সওয়ালেই ‘মান্যতা’ সুপ্রিম কোর্টের! AI টুল নিয়ে ভর্ৎসনা কমিশনকে zoom

এসআইআরে মাইক্রো অবর্জাভারদের ভূমিকা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্জিতেই মান্যতা। সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানাল, যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও এবং এইআরওরাই। মাইক্রো অবর্জাভাররা কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। পাশাপাশি লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি অর্থাৎ তথ্যের অসংগতিতে নোটিস নিয়ে কমিশনকে ভর্ৎসনা করল শীর্ষ আদালত। নামের বানান নিয়ে যেভাবে আমজনতাকে হেনস্তা করা হচ্ছে, বাবা-মায়ের সঙ্গে বয়সের ফারাক হলে নোটিস পাঠানো হচ্ছে, তা নিয়ে বিরক্ত প্রকাশ করলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।  

সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানির শুরুতেই এদিন রাজ্যের বাসিন্দাদের হয়রানি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। পাশাপাশি রাজ্য সরকার ৮,৫০০ জন কর্মী দিয়েছে কমিশনকে সে কথাও জানালেন তিনি। তারপর তালিকা নিয়ে সমস্যার কথা তুলে ধরেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। বলেন, “কর্মী দিয়েছেন। তাঁদের নামের তালিকা আছে? আমরা বলেছিলাম বাংলা জানেন এমন কর্মী প্রয়োজন।” এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী জানান, জেলাভিত্তিক বিবরণ দেওয়া হয়েছিল। তবে কমিশনের আইনজীবী বলেন, সেই তথ্য তাঁদের হাতে পৌঁছোয়নি। তাতেই প্রধান বিচারপতি বললেন, “এই বিষয়ে বিতর্ক চাই না।  নামের তালিকা নিয়ে সমস্যা চলতে থাকে এবার আমাদের মুখ্যসচিবের কাছে হলফনামা চাইতে হবে।” 

Advertisement

তালিকা নিয়ে সমস্যার কথা তুলে ধরেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। বলেন, “কর্মী দিয়েছেন। তাঁদের নামের তালিকা আছে? আমরা বলেছিলাম বাংলা জানেন এমন কর্মী প্রয়োজন।” এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী জানান, জেলাভিত্তিক বিবরণ দেওয়া হয়েছিল। তবে কমিশনের আইনজীবী বলেন, সেই তথ্য তাঁদের হাতে পৌঁছোয়নি। তাতেই প্রধান বিচারপতি বললেন, “এই বিষয়ে বিতর্ক চাই না।  নামের তালিকা নিয়ে সমস্যা চলতে থাকে এবার আমাদের মুখ্যসচিবের কাছে হলফনামা চাইতে হবে।” 

এদিনের শুনানিতে মাইক্রো অবর্জাভারদের কাজটা কী তা জানতে চান প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তাতে কমিশন জানায়, এইআরও ও ইআরওদের সহযোগিতার জন্য ওদের নিয়োগ করা হয়েছে। তবে তাঁরা কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তারপরই প্রধান বিচারপতি বলেন, “তাহলে রাজ্যের অফিসাররা যদি যোগ দেন, তাঁরাও মতামত দিতে পারবেন। তাতে ইআরও-র সিদ্ধান্ত আরও মজবুত হবে।” এরপরই সাফ জানানো হয়, ইআরও এবং এইআরও-ই নেবেন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। মাইক্রো অবর্জাভারদের সিদ্ধান্ত নেওয়া কোনও অধিকার নেই। এদিনের শুনানিতে কমিশনকে ভর্ৎসনা করে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। বলেন, “আপনাদের সফটওয়্যার খুবই সীমাবদ্ধ। অধিকাংশ বাঙালি পরিবারে মধ্যম নাম থাকে কুমার, তা নিয়ে সমস্যায় নোটিস পাঠানো হয়েছে।” এরপরই কার্যত বিস্ময়ের সুরে বিচারপতি বাগচী প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে বললেন, “কল্পনা করুন শুভেন্দুনারায়ণ রায় একজন ফেলো ছিলেন। নারায়ণ তাঁর মধ্যম নাম। তাঁকেও নোটিস দেওয়া হয়েছিল!” প্রসঙ্গত, এসআইআর পর্বের শুরু থেকেই মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় এই মাইক্রো অবজার্ভারদের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কেন শুধুমাত্র বাংলার জন্য মাইক্রো অবজার্ভার দেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছিলেন। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.