টানা তিনদিন ধরে অপারেশন। মহারাষ্ট্রে পুলিশ ও সিআরপিএফের যৌথ অভিযানে মাওবাদীর শীর্ষ কমান্ডার-সহ মৃত ৭ মাওবাদী। অভিযানে শহিদ এক জওয়ান। তিনদিন আগে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পূর্ব মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলি জেলায় অভিযান চালায় পুলিশ ও সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী।
বাহিনীর সঙ্গে শুরু হয় গুলির লড়াই। মারা যান মাওবাদীর কমান্ডার প্রভাকর ওরফে লোকেটি চন্দর রাও । তিনি তেলেঙ্গানার কামারেড্ডির বাসিন্দা। তিনি মাওবাদীদের গডচিরোলি ডিভিশন কমিটি, পশ্চিম সাব-জোনাল ব্যুরো এবং ‘কোম্পানি নং ১০’-এর ইনচার্জ ছিলেন। তাঁর মাথার দাম ছিল ২৫ লক্ষ টাকা।
আরও পড়ুন:
গডচিরোলি পুলিশ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর আসে ছত্তিশগড় থেকে আসা ১০ নম্বর কোম্পানির গতিবিধি বাড়ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে, ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে অভিযান শুরু হয়। গডচিরোলি পুলিশের একটি বিশেষ মাওবাদবিরোধী বাহিনী সি-৬০ – এর চৌদ্দটি ইউনিট নারায়ণপুর-গডচিরোলি সীমান্তের ফোদেওয়াদা গ্রামের কাছে অভিযান শুরু করে। পুলিশের দলের সামনে পড়তেই গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পালটা গুলি চালায় জওয়ানরা। শুরু হয় গুলির লড়াই। তাতেই মারা যান মাও নেতা প্রভাকর।
বৃহস্পতিবার রাতে তিনজন মাওবাদীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার এলাকা থেকে আরও চারটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁদের মধ্যে চারজন পুরুষ ও তিনজন মহিলা। তিনটি একে ৪৭ রাইফেলও পাওয়া গিয়েছে। দেহগুলির মধ্যে শুধুমাত্র প্রভাকরের দেহ শনাক্ত করা গিয়েছে। বাকিদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে শহিদ হয়েছে সি-৬০ এর জওয়ান দীপক চিন্না মাডভি (৩৮) শহিদ হয়েছেন। আরও এক জওয়ান যোগা মাদভিও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তিনি চিকিৎসাধীন। তাঁর অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নতুন তৃণমূল আত্মপ্রকাশের পরদিনই সন্দীপনের বাড়িতে বিক্ষোভ, কাটমানি-তোলাবাজিতে সরব বিজেপি
-
আরজিকর কাণ্ড এবার বড়পর্দায়, পরিচালনায় শঙ্কুদেব পণ্ডা, ‘অভিশপ্ত’ আগস্টেই শুরু শুটিং
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা