Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
In-orbit spying capability

এবার শত্রু দেশের স্যাটেলাইটেও উঁকি! বেসরকারি সংস্থার দৌলতে মহাকাশে বিরাট শক্তিবৃদ্ধি ভারতের

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্রে এভাবে বেসরকারি সংস্থার উঠে আসাটা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১১:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১১:৫১

options
link
এবার শত্রু দেশের স্যাটেলাইটেও উঁকি! বেসরকারি সংস্থার দৌলতে মহাকাশে বিরাট শক্তিবৃদ্ধি ভারতের zoom
ছবি: সংগৃহীত।

এমনিতে ইসরো ভারতের মহাকাশ গবেষণাকে নিত্যদিন নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিচ্ছে। এবার সেটার সঙ্গে জুড়ে গেল বেসরকারি ক্ষেত্রও। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় যুগান্তকারী সাফল্য আহমেদাবাদের আজিস্তা ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড নামের এক সংস্থার। তাঁদের দাবি, এবার বহুদূর থেকে পৃথিবীর বাইরের কক্ষপথে দাঁড়িয়েই অন্য স্যাটেলাইটে উঁকি মারা কৌশল আয়ত্ত করে ফেলেছে তারা। সেটার সফল পরীক্ষাও হয়েছে।

‘ইন-অরবিট স্নুপিং’ অর্থাৎ পৃথিবীর বাইরের কোনও কক্ষপথে দাঁড়িয়ে অন্য স্যাটেলাইটের অন্দরে উঁকি দিয়ে ছবি তোলা। এই কৌশল ভারতের হাতে ছিল না। আজিস্তা ইন্ডাস্ট্রিজের দাবি, তাঁরা সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে সেই কৌশল রপ্ত করে ফেলেছেন। তারা তাঁদের ৮০ কিলোগ্রাম ওজনের স্যাটেলাইট এএফআর-কে কাজে লাগিয়ে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের একাধিক ছবি তুলেছে।

Advertisement

আজিস্তা জানিয়েছে, ৩ ফেব্রুয়ারি দু’বার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের ছবি তোলা হয়েছে এএফআর স্যাটেলাইটের মাধ্যমে। প্রথমটি ৩০০ কিলোমিটার দূরত্ব থেকে এবং পরেরটা এক সেকেন্ডের ব্যবধানে ২৪৫ কিলোমিটার দূরত্ব থেকে। এবং এই ছবিগুলি তোলা হয়েছে সূর্যের প্রবল রশ্মিকে উপেক্ষা করেই। আহমেদাবাদের ওই সংস্থার দাবি, দুই ক্ষেত্রেই তাঁদের চেষ্টা ১০০ শতাংশ সফল। দুই ক্ষেত্রেই মহাকাশ স্টেশনের অন্তত ১৫টি স্বতন্ত্র ফ্রেম পাওয়া গিয়েছে। ভারতের এক বেসরকারি সংস্থার এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বিজ্ঞানী মহল। এর ফলে মহাকাশে ভারতের শক্তি অনেকটা বেড়ে গেল। আজিস্তার দাবি, এর ফলে শত্রু দেশের স্যাটালাইটেও এবার অনায়াসে উঁকি দেওয়া যাবে। তাছাড়া ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্রে এভাবে বেসরকারি সংস্থার উঠে আসাটা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

তবে উলটো মতও আছে। কারও কারও মতে, আন্তর্জাতিক স্পেসস্টেশন আকারে অনেক বড়, তাছাড়া কক্ষপথ থেকে এর ছবি তোলা অনেক সহজ। তুলনায় অন্য স্যাটেলাইটে উঁকি দেওয়াটা কঠিন কাজ হবে। সেটা করে দেখাতে হবে আজিস্তার এএফআর স্যাটেলাইটকে। তবে বেসরকারি ক্ষেত্রে মহাকাশে এই সাফল্যকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.