Sonam Wangchuk

ওয়াংচুকের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ‘ককরোচ’দের? বিতর্কের মধ্যেই দীপকে বললেন, ‘ওঁর অবদান…’

জেপি নাড্ডার সঙ্গে ওয়াংচুকের সাক্ষাতে অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন, অকপটে মেনে নিলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ১৯:২৩

options
link
ওয়াংচুকের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ‘ককরোচ’দের? বিতর্কের মধ্যেই দীপকে বললেন, ‘ওঁর অবদান…’
সোনম ওয়াংচুক ও অভিজিৎ দীপকে। ফাইল ছবি।

অনশন ভাঙার পর সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে কি দূরত্ব বেড়েছে ককরোচ জনতা পার্টির? এখন কি সোনমের সব সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না ‘ককরোচ’ নেতারা? ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পরও এই প্রশ্নগুলি বিদ্ধ করছে ‘ককরোচ’দের। এই নিয়ে বিস্তর বিতর্কও হচ্ছে। এবার সেই সব বিতর্কের জবাব দিলেন খোদ সিজেপির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। তিনি বললেন, ওয়াংচুকের অবদান কোনওদিনই ভুলবে না ককরোচ জনতা পার্টি।

Advertisement

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা-সহ পাঁচ দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি যে আন্দোলন শুরু করেছিল, সেই আন্দোলনের একেবারে পুরোভাগে ছিলেন পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে টানা ২৬ দিন অনশন করেছিলেন তিনি। অথচ শেষমেশ যখন দাবি পূরণ হল, ধর্মেন্দ্র প্রধান যখন ইস্তফা দিলেন, তখন সেই সোনম ওয়াংচুককে ন্যূনতম ধন্যবাদ পর্যন্ত জানাননি ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার খবর সামনে আসার পর উল্লাসের সঙ্গে সে খবর বিক্ষোভকারীদের জানান অভিজিৎ। এই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আরশোলাদের সঙ্গে পাঙ্গা নয়’। অভিজিৎ রসিকতার সুরে বলেন, “সুবহ হো গেয়ি মামু।’ আন্দোলনের সাফল্যে বুক বাজিয়ে দাবি করেন, “ঝুকতি হ্যায় দুনিয়া, ঝুকানে ওয়ালা চাহিয়ে।”

Advertisement

পুরো আন্দোলনের কৃতিত্ব মোটামুটিভাবে নিজেদের আন্দোলনকেই দিয়েছেন দীপকে। কিন্তু উল্লেখ করেননি সোনম ওয়াংচুকের নাম। সেটাই বিতর্কের আসল কারণ। যদিও এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ককরোচ পার্টির প্রধান দীপকে সোনমের সঙ্গে মতপার্থক্যের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে গেলেন। তিনি বললেন, ‘‘আমাদের মধ্যে এখনও বোঝাপড়া আছে। আমি ফোনে ওঁর সঙ্গে কথা বলেছি।’’

Advertisement

অভিজিৎ বলেন, “সোনম স্যরের আত্মত্যাগ আমরা কোনওদিন ভুলতে পারব না। ২৬ দিন ধরে অনশন করেছেন। উনি নিজের জীবন বিপন্ন করে দেশের একটা বড় অংশকে জাগিয়ে দিয়েছিলেন। সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলতে সাহস জুগিয়েছেন। তাঁর অনশন ছাড়া শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ সম্ভব হত না।’’ ওয়াংচুক অনশন ভাঙায় কি অসন্তুষ্ট ছিলেন অভিজিৎ? তাঁর জবাব, “না, আমি নিজেই ওনাকে বারবার অনশন ভাঙতে অনুরোধ করেছি। কিন্তু যেভাবে জেপি নাড্ডার মতো বিজেপি নেতাদের সঙ্গে ওকে দেখা করতে দেওয়া হল, অথচ আমাকে দেখা করতে দেওয়া হল না, তাতে আমি অসন্তুষ্ট ছিলাম।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.