সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শরীর দু’টিই। তবু জুড়ে ছিল তারা। তাদের যকৃত দু’টি ছিল যুক্ত। এছাড়া হৃদয়ের বাইরের অংশ যাকে এপিকার্ডিয়াম বলে, বুক এবং খাদ্যনালির একটি অংশ, জুড়ে ছিল সেগুলিও। অবশেষে ৯ ঘণ্টার বিরল অস্ত্রোপচারে জোড়া দুই শিশুকে (Twin) আলাদা করতে সক্ষম হয়েছেন লখনউয়ের (Lucknow) চিকিৎসকরা।
কিং জর্জ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন অস্ত্রোপচার এই প্রথম। আপাতত সুস্থ দুই শিশু। তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে এখনও আসল পরীক্ষা হয়নি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এক চিকিৎসকের কথায়, ‘‘ওরা খাবার খেতে ও হজম করতে পারলেই আমরা বলতে পারব অস্ত্রোপচার সম্পূর্ণ সফল হয়েছে।’’ গত বছরের নভেম্বরে উত্তরপ্রদেশের কুশীনগরে জন্ম হয় ওই যমজ শিশুদের। কয়েক মাস আগে এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাহায্যে তাদের নিয়ে আসা হয় এই হাসপাতালে।
[আরও পড়ুন : জঙ্গিযোগে ধৃত বাংলার ছাত্রীকে জেরায় মিলল সূত্র, কর্ণাটক থেকে NIA’র জালে যুবক]
প্রথমে তাদের পরীক্ষা করে দেখেন শিশু শল্যচিকিৎসা বিভাগের চিকিৎসকরা। তাঁরা জানিয়ে দেন, এই ধরনের অস্ত্রোপচারের জন্য ওই শিশুদের অন্তত এক বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অবশেষে ওই শিশুদের বয়স এক বছর পূর্ণ হওয়ার পরই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। শিশু শল্যচিকিৎসা বিভাগের প্রধান এসএন কুরিল অন্যান্য সুপার স্পেশালিটি বিভাগের সহায়তায় অস্ত্রোপচারটি করেন। বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞরা আলাদা আলাদা ভাবে অস্ত্রোপচারের বিভিন্ন অংশের কাজ সম্পন্ন করেন।
সাধারণত এই ধরনের জোড়া যমজের অস্ত্রোপচার অত্যন্ত ঝুঁকিবহুল। অনেক ক্ষেত্রেই জন্মের অব্যবহিত পরেই মারা যায় এরা। দেখা যায়, অস্ত্রোপচারের সাহায্যে তাদের আলাদা করতে গেলে একজনের মৃত্যু হয়। খুব বিরল ক্ষেত্রেই মেলে সাফল্য। সেই দিক থেকে লখনউয়ের এই অস্ত্রোপচারে তেমনই এক বিরল দৃষ্টান্তের সাক্ষী হয়ে রইল।
[আরও পড়ুন : দিনে ২২ কোটির দান! ২০২০ সালের উদারতম ভারতীয় উইপ্রোর প্রতিষ্ঠাতা আজিম প্রেমজি]
সর্বশেষ খবর
-
‘গভীর রাতে স্বামী আর ছেলের ফারাকই বুঝতে পারি না’, মারাত্মক বিড়ম্বনায় ফারহা
-
শুটিং ফ্লোরে দেবের ‘দাদাগিরি’, টিমের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে নতুন ‘দাদা’ লিখলেন…
-
দেশের এই মন্দিরে গেলেই সারে ডায়বেটিস, ভক্তদের বিশ্বাস, রোগ সারায় পিঁপড়েরা!
-
‘স্যাটা ভাঙা’ মারের হুমকি, হুমায়ুনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের বিজেপি যুব মোর্চার
-
দেশঁর মায়ের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছিলেন এমবাপেরা, কোন যুক্তিতে নাকচ করল ফিফা?