Arvind Kejriwal

কেজরিওয়ালকে ফাঁসানোর চেষ্টা? মদ কেলেঙ্কারিতে তদন্তকারী আধিকারিকের বিরুদ্ধেই তদন্তের পরামর্শ আদালতের

কেজরির দাবি, বিজেপি ক্ষমতার লোভে এই ভুয়ো মামলা সাজিয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, সিবিআইকে কি এই মামলা সাজাতে ব্যবহার করা হয়েছিল?

Advertisement
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৬:২১

options
link
কেজরিওয়ালকে ফাঁসানোর চেষ্টা? মদ কেলেঙ্কারিতে তদন্তকারী আধিকারিকের বিরুদ্ধেই তদন্তের পরামর্শ আদালতের
কেজরির মামলায় তদন্তকারী আধিকারিকের বিরুদ্ধেই তদন্তের পরামর্শ। গ্রাফিক্স: শ্রীজিতা পণ্ডা।

ঝুলি থেকে কি বিড়াল বেরিয়ে এল? দিল্লির মদ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে যে মামলা করেছিল, সেই মামলায় এবার নিজেরাই বিপাকে। দিল্লির রাউজ এভিনিউ কোর্টের বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং শুনানির সময় সিবিআইকে পরামর্শ এই মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকের বিরুদ্ধেই বিভাগীয় তদন্তের পরামর্শ দেন।

Advertisement

২০২৫ দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ইস্যু ছিল আবগারি দুর্নীতি। বিজেপির অভিযোগ ছিল, দিল্লিতে আপ যে আবগারি নীতি চালু করেছিল তা রাজধানীর কোষাগারে বড় ধাক্কা দিয়েছে। অন্তত ২ হাজার ২৬ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে দিল্লি সরকারের। তাতে মূল অভিযুক্ত হিসাবে তুলে ধরা হয়েছিল অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও মণীশ সিসোদিয়াকে। সব মিলিয়ে ২৩ জনকে এই মামলায় অভিযুক্ত করে সিবিআই। সরাসরি অভিযুক্ত হিসাবে দেখানো হয়েছে আম আদমি পার্টিকে। যা ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। এই মামলায় জেলে যেতে হয় কেজরিওয়ালকে। জেল থেকে ফিরে মুখ্যমন্ত্রিত্বও ছাড়েন তিনি। মণীশ সিসোদিয়া-সহ দিল্লির একাধিক মন্ত্রীকে জেলে যেতে হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু আদালতের পর্যবেক্ষণ, তদন্ত চলাকালীন সিবিআই কারও বিরুদ্ধেই পোক্ত প্রমাণ দিতে পারেনি। আদালতের পর্যবেক্ষণ, মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রমাণও জোগাড় করা যায়নি। আর কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে মামলা সাজানো হয়েছিল স্রেফ ধারণার ভিত্তিতে। রাউজ এভিনিউ কোর্টের বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং বলেন, এই মামলার বেশিরভাগটাই সাজানো হয়েছে রাজসাক্ষীর বয়ানের ভিত্তিতে। সেটা করা যায় না। সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক কূলদীপ সিংয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি।

Advertisement

এদিন আদালতের রায় ঘোষণার পর কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন কেজরি। চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। কাঁদতে কাঁদতেই তিনি বলেন, “আমি কট্টর সৎ মানুষ। আজ আদালত জানিয়ে দিল অরবিন্দ কেজরিওয়াল অসৎ নয়, মণীশ সিসোদিয়া অসৎ নয়।” কেজরির দাবি, “অমিত শাহ এবং নরেন্দ্র মোদি স্বাধীন ভারতের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করেছেন। কিন্তু এতদিন বাদে সত্যের জয় হল।” সুনীতা কেজরিওয়ালও দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতার লোভে এই ভুয়ো মামলা সাজিয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, সিবিআইকে কি এই মামলা সাজাতে ব্যবহার করা হয়েছিল?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন