জামিন পেয়েছিলেন আগেই। এবার আবগারি দুর্নীতি থেকে পুরোপুরি রেহাই পেয়ে গেলেন আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) এবং দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। দিল্লির রাউজ এভিনিউ কোর্ট জানিয়ে দিল, দিল্লির তথাকথিত বিতর্কিত আবগারি নীতিতে কোনওরকম অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা ষড়যন্ত্র ছিল না। তা প্রমাণ করতে পারেনি সিবিআই।
২০২৫ দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ইস্যু ছিল আবগারি দুর্নীতি। বিজেপির অভিযোগ ছিল, দিল্লিতে আপ যে আবগারি নীতি চালু করেছিল তা রাজধানীর কোষাগারে বড় ধাক্কা দিয়েছে। অন্তত ২ হাজার ২৬ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে দিল্লি সরকারের। তাতে মূল অভিযুক্ত হিসাবে তুলে ধরা হয়েছিল অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও মণীশ সিসোদিয়াকে। সব মিলিয়ে ৪০ জনকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। সরাসরি অভিযুক্ত হিসাবে দেখানো হয়েছে আম আদমি পার্টিকে। যা ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। জেলে যেতে হয় কেজরিওয়ালকে। জেল থেকে ফিরে মুখ্যমন্ত্রিত্বও ছাড়েন তিনি। মণীশ সিসোদিয়া-সহ দিল্লির একাধিক মন্ত্রীকে জেলে যেতে হয়।
আরও পড়ুন:
কিন্তু পরে দেখা যায়, ওই মামলায় দুর্নীতির কোনও প্রমাণ জোগাড় করতে পারেনি ইডি এবং সিবিআই। ফলে একে একে সব অভিযুক্তই ছাড় পেয়ে যান। শুক্রবার দিল্লির রাউজ এভিনিউ কোর্ট সিবিআইয়ের করা মামলা থেকে পুরোপুরি অব্যাহতি দিয়ে দিল অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও মণীশ সিসোদিয়াকে। ফলে দুর্নীতির যে কালো ছিটে তাঁর গায়ে লেগেছিল, সেটা ঝেড়ে ফেললেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন আদালতের রায় ঘোষণার পর কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন কেজরি। চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। কাঁদতে কাঁদতেই তিনি বলেন, “আমি কট্টর সৎ মানুষ। আজ আদালত জানিয়ে দিল অরবিন্দ কেজরিওয়াল অসৎ নয়, মণীশ সিসোদিয়া অসৎ নয়।” কেজরির দাবি, “অমিত শাহ এবং নরেন্দ্র মোদি স্বাধীন ভারতের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করেছেন। কিন্তু এতদিন বাদে সত্যের জয় হল।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
তৃণমূল নেতার পুকুরে অস্ত্রভাণ্ডার! বেপাত্তা শাহজাহান ঘনিষ্ঠ ‘দাস ব্রাদার্স’
-
মা হচ্ছেন সোহিনী, শোভনের সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীর আগেই সুখবর
-
প্রথম ভারতীয় হিসাবে নরওয়ে দাবায় চ্যাম্পিয়ন প্রজ্ঞানন্দ, সত্যি হল মায়ের ভবিষ্যদ্বাণী
-
বিকেলে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে প্রবল ঝড়বৃষ্টি, তীব্র গরম থেকে মিলবে রেহাই?
-
ট্রাম্প-খামেনেই সাক্ষাতের কোনও সম্ভাবনাই নেই! সাফ জানাল ইরান