Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Sandeshkhali

তৃণমূল নেতার পুকুরে অস্ত্রভাণ্ডার! বেপাত্তা শাহজাহান ঘনিষ্ঠ ‘দাস ব্রাদার্স’

রাজ্যের আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন বেঙ্গল এসটিএফের আধিকারিকরা।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১২:২৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১২:২৫

options
link
তৃণমূল নেতার পুকুরে অস্ত্রভাণ্ডার! বেপাত্তা শাহজাহান ঘনিষ্ঠ ‘দাস ব্রাদার্স’ zoom
সন্দেশখালিতে পুকুর থেকে উদ্ধার বিপুল অস্ত্র। নিজস্ব চিত্র

পুকুরে লুকনো রাশি রাশি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ। সন্দেশখালির মণিপুরে তল্লাশি চালিয়ে তাজ্জব বেঙ্গল এসটিএফের আধিকারিকরা। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে শনিবার সকালে ওই এলাকায় হানা দেন তদন্তকারীরা। পুকুরে অস্ত্রভাণ্ডারে পর্দাফাঁস করেন আধিকারিকরা। এখনও পর্যন্ত ১৭টি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে বেপাত্তা ওই পুকুরের মালিক প্রাক্তন তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি রবীন দাস ও তাঁর ভাই গোপাল দাস।

Sandeshkhali-Arms
পুকুর থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র। নিজস্ব চিত্র

স্থানীয়দের দাবি, সরকারের পালাবদলের আগে এই রবীন দাস ও গোপাল দাস এলাকার ‘ত্রাস’ ছিল। নানা অসামাজিক কার্যকলাপে যুক্ত থাকত তারা। শেখ শাহজাহানের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে সকলকে ধমকে চমকে রাখত তারা। এলাকার পুরুষদের উপর অত্যাচার করত। রাতের অন্ধকারে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হত তাদের। কথামতো না চললেই বেধড়ক মারধর করা হত। পা-ও নাকি ভেঙে দেওয়া হত। ‘দাস ব্রাদার্সে’র অত্যাচারে নাকি এলাকাছাড়াও হতে হত অনেককেই। এদিন সকালে তাদের বাড়ি এবং বাড়ি লাগোয়া পুকুরে এসটিএফ হানায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গ্রেপ্তারির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। যদিও আপাতত বেপাত্তা তারা। 

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন এসটিএফ হানা নিয়ে X হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন। বেঙ্গল এসটিএফের আধিকারিকদের প্রশংসা করেন তিনি। জানান, “এদিন কুমরাখালির সরবেড়িয়া বাজার, বাসন্তী, সন্দেশখালিতে অভিযান চালান আধিকারিকরা। বেআইনি অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আমি আধিকারিকদের অ্যাকশনের প্রশংসা করি।” তিনি আরও লেখেন, “পূর্বতন সরকারের আমলে স্থানীয়দের ভয় পাওয়ানোর জন্য বেআইনি অস্ত্রশস্ত্র মজুত করা হত। তার ফলে বহু বিজেপি কার্যকর্তার প্রাণ গিয়েছে। অন্ধকার দিন কেটে গিয়েছে। আমাদের সরকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। আমরা সবসময় খেয়াল রাখছি যাতে একটিও বেআইনি অস্ত্র মজুত না করা যায়। অসাধু কার্যকলাপ এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ভয়ের পরিবেশ তৈরির চেষ্টার দিন ধুয়েমুছে সাফ। শান্তি, নিরাপত্তা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.