Delhi Accident

‘আমাকে বাঁচান’, ১০ মিনিট ধরে আর্তনাদেও মন ভেজেনি পথচলতি মানুষের! নাবালকের গাড়ির ধাক্কায় দিল্লিতে মৃত্যু যুবকের

যেভাবে রাস্তায় পড়ে থেকে ছেলের মৃত্যু হয়েছে, তা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না মা। পুত্রশোকে দিশাহার ইনা মাকান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৫:৪৯

options
link
‘আমাকে বাঁচান’, ১০ মিনিট ধরে আর্তনাদেও মন ভেজেনি পথচলতি মানুষের! নাবালকের গাড়ির ধাক্কায় দিল্লিতে মৃত্যু যুবকের
দুর্ঘটনা মৃত সাহিল ধানেস্রার। ছবি সংগৃহীত।

চলতি বছরের শুরুতেই পথদুর্ঘটনায় জখমের বিনামূল্যে চিকিৎসা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। কিন্তু দুর্ঘটনায় (Accident) গুরুতর জখমকে কেউ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তবে তো চিকিৎসা মিলবে! দিল্লিতে গত ৩ ফেব্রুয়ারি এক নাবালকের গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর জখম হন ২৩ বছরের যুবক সাহিল ধানেস্রার। রক্তাক্ত অবস্থায় দশ মিনিটের বেশি সময় ধরে রাস্তায় পড়েছিলেন তিনি। ‘আমাকে বাঁচান’, আর্তনাদ করে সাহায্যও চান পথচলতি মানুষের কাছে। যদিও কেউ এগিয়ে আসেননি। পথে পড়ে থেকেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় সাহিলের। এই ঘটনায় ন্যায়বিচারের আর্জি জানিয়েছেন পুত্রশোকে বিহ্বল মা।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানীর (Delhi) দ্বারকায় লালা বাহাদুর শাস্ত্রী কলেজের সামনে দুর্ঘটনাটি (Delhi Accident) ঘটে। একটি এসইউভি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি ট্যাক্সি, তার পর একটি বাইকে ধাক্কা মারে। ট্যাক্সিচালক আহত হন। মৃত্যু হয় বাইক আরোহী সাহিলের। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গাড়িটি চালাচ্ছিল এক নাবালক। গাড়ির বৈধ কোনও কাগজপত্রও ছিল না। মৃত সাহিলের মা ইনা মাকান অভিযোগ করেন, ‘‘ঘাতক গাড়িটিকে ১৩ বার জরিমানা করা হয়েছিল। বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালানোর জন্য হয়েছিল জরিমানা।’’ এর পরেও জামিন পেয়ে গিয়েছে ‘ঘাতক’ গাড়ির নাবালক চালক। তবে তদন্তকারী আধিকারিকরা আশ্বস্ত করেছেন যে সঠিক তদন্ত হবে, জানিয়েছেন ইনা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাজধানীর দ্বারকায় লালা বাহাদুর শাস্ত্রী কলেজের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

যেভাবে রাস্তায় পড়ে থেকে ছেলের মৃত্যু হয়েছে, তা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না ইনা। তিনি জানান, ঘটনার দিন দুপুর ১টায় বাড়িতে ফোন আসে। সেই ফোন পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে যান তিনি। সেখানে গিয়ে দেখেন, রাস্তায় পড়ে রয়েছে রক্তাক্ত সাহিল। ইনা বলেন, “সাহায্যের জন্য চিৎকার করলেও কেউ এগিয়ে আসেননি। সামনে একটা অ্যাম্বুল্যান্সও ছিল। সেটিও হাসপাতালে নিয়ে যেতে চায়নি।’’ শেষ পর্যন্ত তিনিই গাড়ির ব্যবস্থা করে ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যান। যদিও চিকিৎসকরা জানান, ততক্ষণে সাহিলের মৃত্যু হয়েছে। এই অমানবিকতা ভুলতে পারছেন না পুত্রহারা মা। তিনি ন্যায়বিচার চেয়ে সকলকে এগিয়ে আসার আর্জি জানিয়েছেন।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.