Delhi

স্ত্রীর বিবাহবর্হিভূত সম্পর্ক! সন্দেহের বশে ‘খুন’ স্বামীর, খাটের বক্স থেকে উদ্ধার পচাগলা দেহ

সোমবার অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৫, ২০:১৫

options
link
স্ত্রীর বিবাহবর্হিভূত সম্পর্ক! সন্দেহের বশে ‘খুন’ স্বামীর, খাটের বক্স থেকে উদ্ধার পচাগলা দেহ
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডেলিভারি বয়ের সঙ্গে স্ত্রীর বিবাহবর্হিভূত সম্পর্ক! এই সন্দেহের বশে তাঁকে খুন করে দেহ খাটের বক্সে ঢুকিয়ে রাখল স্বামী। তারপর পালিয়ে যান তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির জনকপুরীতে। বিষয়টি জানার পর সোমবার অভিযুক্ত স্বামীকে হরিয়ানা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তরুণীর নাম দীপা। বছর পাঁচেক আগে ধনরাজ নামের এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। বাপের বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকছিলেন দম্পতি। তাঁদের দুবছরের পুত্রসন্তানও রয়েছে। কয়েকদিন ধরে তাঁদের ছেলে দীপার মামার কাছে থাকছিল। এরই মধ্যে ২৯ ডিসেম্বর থেকে মেয়ের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে পারেননি দীপার পরিবারের সদস্যরা। ফোন সুইচ অফ পাচ্ছিলেন তাঁর বাবা-মা। এদিকে বাড়ি তালা বন্ধ ছিল। মেয়েরা কোথায় গিয়েছে তা বুঝতে না পেরে দ্বন্দ্বে ছিল পরিবার।

Advertisement

এই আবহে ৩ জানুয়ারি মেয়ের ভাড়া বাড়িতে আসেন দীপার মা। সেই সময় বাড়ি থেকে পচা গন্ধ পান তিনি। পুলিশে খবর দেয় পরিবার। বাড়ির দরজা ভেঙে খাটের বক্স থেকে দীপার পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দীপার মুখ টেপ দিয়ে মোড়া ছিল। এক পুলিশ অফিসার, “আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর বেডরুম থেকে পচা গন্ধ আসতে থাকে। দেহে পচন ধরতে শুরু করেছিল।” দেহ উদ্ধারের পর দীপার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তাঁর বাবা-মা।

Advertisement

ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল ধনরাজ। সোমবার তাঁকে হরিয়ানা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক পুলিশ অফিসারে কথায়, “দীপাকে খুনের পর ধনরাজ তাঁর এক বন্ধুর বাড়িতে যান। সেখানে মদ্যপানের পর বন্ধুকে দীপাকে খুনের কথা জানায়। পরে সেখান থেকে পালিয়ে অন্য এক বন্ধুর কাছে যান ধনরাজ।” কীভাবে দীপাকে খুন করা হয়েছে? এই ঘটনায় ধনরাজকে আর কেউ সাহায্য করেছে কি না তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্তে শুরু করেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.