Supreme Court

বিপথে চালিত হয়ে পাথর ছুড়লেও তরুণদের কথা শুনতে হবে, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি মোহনের বেঞ্চ এদিন মন্তব্য করেছে, "ওঁরা (আন্দোলনকারীরা) তরুণ। ওঁদের কাউন্সেলিং করা দরকার। ওঁদের সঠিক পরামর্শ দেওয়া দরকার। রাষ্ট্রের শক্তি দেখাতে ওঁদের উপর যদি বলপ্রয়োগ করা হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। অশান্তি বাড়তে বাড়তে হাতের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই এই সব কিছু থেকে দূরে থাকা দরকার।”

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৬, ১০:০৯

options
link
বিপথে চালিত হয়ে পাথর ছুড়লেও তরুণদের কথা শুনতে হবে, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের
২০ জুলাই সংসদ অভিযান ঘিরে উত্তপ্ত হয় দিল্লি।

২০ জুলাই সংসদ অভিযানে ছাত্র-ছাত্রীদের মিছিলে একদিকে যেমন পুলিশের অতি তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে, তেমনই অন্যদিকে পুলিশ বাহিনীর উপর হামলারও অভিযোগ উঠেছে। দু’তরফেই মামলা দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। যেমন মণীশকুমার সোলাঙ্কি পিটিশন দায়ের করেছেন এই মর্মে যে, অশান্তির ঘটনায় অভিযান কর্মসূচির আয়োজকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক। তিনি সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করেছেন, বিক্ষোভকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া কোনও মামলা যেন প্রত্যাহার না করা হয়। কারণ তাঁর মতে, এ রকম কিছু হলে তা ভবিষ্যতের জন্য খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

Advertisement

তাঁর কথায়, “এখন জেন-জি আন্দোলন করছে। এর পর আগামিদিনে জেনারেশন আলফা, বিটা, ডেলটা আসবে।” সুপ্রিম কোর্ট তাঁর এই মামলা শুনতে রাজি হয়েছে। ছাত্রবিক্ষোভ সংক্রান্ত অন্য মামলার সঙ্গে এই মামলাও শুনবে আদালত। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, পুলিশকে লক্ষ্য করে আন্দোলনকারীদের একাংশের বিরুদ্ধে পাথর ছোঁড়ারও অভিযোগ উঠেছে। আর সেই নিয়েই বুধবার সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য, বিপথে চালিত হয়ে যদি কেউ পাথর ছুঁড়েও থাকে, তবু-ও তরুণদের কথা শোনা উচিত। প্রয়োজনে তাঁদের আগে শান্ত করে, তারপর তাঁদের পরামর্শ দেওয়া উচিত। শীর্ষ আদালতের সাফ কথা, ছাত্রবিক্ষোভের মতো পরিস্থিতি সামাল দিতে বাহিনীকে আরও সংযমী হতেই হবে। কারণ, রাষ্ট্রের ক্ষমতার পাঠ দিতে গিয়ে যদি প্রতিবাদী যুবশক্তির উপর বলপ্রয়োগ করতে হয়, তাহলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারে। সোজা কথায়, হিতে বিপরীত হতে পারে।

Advertisement

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি মোহনের বেঞ্চ এদিন মন্তব্য করেছে, “ওঁরা (আন্দোলনকারীরা) তরুণ। ওঁদের কাউন্সেলিং করা দরকার। ওঁদের সঠিক পরামর্শ দেওয়া দরকার। রাষ্ট্রের শক্তি দেখাতে ওঁদের উপর যদি বলপ্রয়োগ করা হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। অশান্তি বাড়তে বাড়তে হাতের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই এই সব কিছু থেকে দূরে থাকা দরকার।” প্রধান বিচারপতির বক্তব্য, পুলিশকে সংযমী হতেই হবে। নজর রাখতে হবে যেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়। সবচেয়ে ভালো উপায় হল, ওঁদের কথা শুনুন। প্রতিবাদের কারণটা বুঝুন। তবে একইসঙ্গে  প্রধান বিচারপতি এ-ও জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত বিক্ষোভ কীভাবে সামলাতে হবে, সেই সিদ্ধান্ত বাহিনীকেই নিতে হবে। আর সেই দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা তাদের আছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.