গোষ্ঠী সংক্রমণ

‘দেশে অনেক আগেই শুরু হয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ, মানতে চাইছে না কেন্দ্র’, দাবি বিশেষজ্ঞদের

দেশে এখনও গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়নি, ২৬ হাজার নমুনা পরীক্ষার পর দাবি আইসিএমআরের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২০, ১০:৩৭

options
link
‘দেশে অনেক আগেই শুরু হয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ, মানতে চাইছে না কেন্দ্র’, দাবি বিশেষজ্ঞদের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দশদিনে দেশে নতুন করোনা সংক্রমণের সংখ্যা পেরিয়েছে ১ লক্ষ। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৯২৯ জন মানুষ। COVID-19 আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩১১ জনের। এখনও পর্যন্ত ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষ ২১ হাজার। মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজারেরও বেশি মানুষের। অথচ, এতকিছুর পরও সরকার মানতে নারাজ যে দেশে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। যা নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা বলছেন, দেশে যে হারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে স্পষ্ট, ইতিমধ্যেই গোষ্ঠী সংক্রমণ (Community transmission) শুরু হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্র সরকার সেটা স্বীকার করতে চাইছে না।

Advertisement

ICMR

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, দেশে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে কিনা নির্ধারণ করতে সম্প্রতি আইসিএমআর (ICMR) একটি সমীক্ষা চালায়। যাতে দেশের ৬৫টি জেলা থেকে ২৬ হাজার ৪০০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনাগুলি সংগ্রহ করা হয় রেড, গ্রিন, অরেঞ্জ জোন মিলিয়ে সব এলাকা থেকেই। পরীক্ষার পর দেখা যায় এই ২৬ হাজার ৪০০ জনের মধ্যে মাত্র ০.৭৩ শতাংশ মানুষ করোনায় আক্রান্ত। বাকিরা COVID-19 নেগেটিভ। এই সমীক্ষার তথ্যের উপর ভিত্তি করেই বৃহস্পতিবার আইসিএমআরের ডিরেক্টর জেনারেল বলরাম ভার্গব দাবি করেন, ‘দেশে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণের কোনও প্রমাণ মেলেনি।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘৮৫ শতাংশ পরিযায়ী শ্রমিককে নিজেদেরই দিতে হয়েছে বাড়ি ফেরার ভাড়া’, দাবি সমীক্ষায়]

ভার্গবের এই বয়ানের পরই ক্ষোভ প্রকাশ করেন এইমসের প্রাক্তন ডিরেক্টর ডাঃ এমসি মিশ্র। তাঁর দাবি,’মাত্র ২৬ হাজার ৪০০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে বলা সম্ভব না দেশে গোষ্ঠী সংক্রমণ হচ্ছে কিনা। রোগটা এখন অনেক দ্রুত ছড়াচ্ছে এবং এমন এমন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে, যেখানে কিছুদিন আগেও কোনও সংক্রমণ ধরা পড়েনি। এটাই সেই সময় যখন সরকারের উচিৎ স্বীকার করা (দেশে গোষ্ঠী সংক্রমণ হচ্ছে)।’ আরেক বিশেষজ্ঞ তথা ভাইরোলজিস্ট শাহিদ জামিল বলছেন, “কর্তৃপক্ষ এটা স্বীকার করতে চাইছে না। এমনকী আইসিএমআরের নিজস্ব গবেষণায় দেখা গিয়েছে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৪০ শতাংশই কখনও বিদেশ যাননি বা কোনও করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসেননি। এটাকে যদি গোষ্ঠী সংক্রমণ না বলেন, তাহলে কাকে বলবেন?”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.