পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে সাজা লালুর, সাড়ে তিন বছরের জেল

হাই কোর্টে যাওয়ার কথা জানাল লালু পুত্র তেজস্বী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০১৮, ১০:৪৮

options
link
পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে সাজা লালুর, সাড়ে তিন বছরের জেল

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের সাড়ে তিন বছরের সাজা ঘোষণা করল বিশেষ সিবিআই আদালত। এছাড়াও ৫ লক্ষ টাকার জরিমানা ও ধার্য করা হয়। অনাদায়ে ছয় মাসের জেলের নির্দেশ দেন বিচারক। শনিবার সাজা ঘোষণা হবে বলে জানিয়েছিল আদালত। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির দ্বিতীয় মামলায় লালু দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন আগেই। তাঁর কী সাজা হয়, তা নিয়ে তুমুল জল্পনা ছিল রাজনৈতিক মহলে। আইনজীবী বিন্দেশ্বরী প্রসাদের মৃত্যুর কারণে গতকাল মানে বুধবার সাজা ঘোষণার প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়। শনিবার ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে লালুর সাজা শোনায় বিচারক।

Advertisement

সাজা ঘোষণা উপলক্ষে এদিন আদালত চত্বরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। আদালতের রায়ে লালু দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরই আদালতের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেন আরজেডি নেতারা। এই প্রথমবার নজিরবিহীনভাবে আদালতের বাইরে করা মন্তব্যের ভিত্তিতে আদালত অবমাননার নোটিস জারি করা হয়েছে বেশ কিছু আরজেডি নেতার নামে। গত ২৩ ডিসেম্বর এই মামলায় লালুকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। লালুর বিরুদ্ধে কেলেঙ্কারির পর্যাপ্ত প্রমাণ মেলে। তবে রেহাই পেয়ে গিয়েছিলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগন্নাথ মিশ্র।

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে আরজেডি প্রধানের বিরুদ্ধে মোট ছ’টি মামলা দায়ের হয়। এই মামলাটি ছিল দ্বিতীয়। এই মামলায় অভিযোগ ছিল ১৯৯১ থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের নেতৃত্বে পশুখাদ্য কেনার নাম করে জাল নথির মাধ্যমে দেওঘর ট্রেজারি থেকে ৯০ লক্ষ টাকা তোলা হয়। এর আগে পশুখাদ্য সংক্রান্ত অন্য একটি মামলায় লালুপ্রসাদ যাদবকে পাঁচ বছরের কারাবাসের নির্দেশ দেয় সিবিআই আদালত। সেই মামলায় ২০১৩ সালে সুপ্রিম কোর্ট থেকে অবশ্য তিনি জামিন পান। দ্বিতীয় মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর এদিন সাজা ঘোষণা হয়।

[খোদ সিবিআই আদালতের বিচারককেই ‘হুমকি’ ফোন লালু অনুগামীদের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন