মোটর ভেহিক্যাল আইন

বিনা লাইসেন্সে গাড়ি চালালে জরিমানা ১ লক্ষ, কড়া আইন আনছে কেন্দ্র

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালালে জরিমানা দুই থেকে বেড়ে হল ১০ হাজার৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০১৯, ২০:১৮

options
link
বিনা লাইসেন্সে গাড়ি চালালে জরিমানা ১ লক্ষ, কড়া আইন আনছে কেন্দ্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে ধরা পড়লে আর দু’হাজার টাকা জরিমানা নয়। এবার থেকে খসবে আরও পাঁচগুণ বেশি। অর্থাৎ দশ হাজার টাকা। আর গাড়ি চালাতে চালাতে ফোনে কথা বললে? গুনতে হবে পাঁচ হাজার টাকা। আগে এই অপরাধে মাত্র একহাজার টাকা দিলেই পার পাওয়া যেত। এবং এখন থেকে লাইসেন্স নীতি না মানলে জরিমানা হবে ২৫ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা। এমন কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সোমবার মোটর ভেহিকল আইনের সংশোধনী বিলে সিলমোহর লাগাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা৷

Advertisement

[ আরও পড়ুন: মর্মান্তিক কাণ্ড! হরর শোয়ের দৃশ্য নকল করতে গিয়ে আত্মঘাতী নাবালিকা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ক্রমশ বাড়ছিল পথদুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যাটা। সমাজকর্মী থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)- কপালে চিন্তার ভাঁজ স্পষ্ট হচ্ছিল সবার। পদক্ষেপটা জরুরি ছিল। চলতি লোকসভা অধিবেশনে সেটাই বাস্তবে করে দেখালেন কেন্দ্রীয় পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গড়করি। দেশে আরও কড়া হল ট্রাফিক বিধি। মূলত যাত্রী সুরক্ষা, দুর্ঘটনা কমাতে এবং দুর্নীতি রুখতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু মদ খেয়ে বা ফোনে কথা বলতে বলতে গাড়ি চালানোই নয়, লাইসেন্স ছাড়া রাজপথে নামলেও ছাড় নেই। সেক্ষেত্রেও মোটা মূল্য গুনতে হবে গাড়ির মালিককে। নতুন বিল অনুযায়ী, লাল বাতি না মানলে ১০০-৩০০ টাকার বদলে এক হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। গতির ঊর্ধ্বসীমা না মানলেও ৪০০ টাকার বদলে হাজার টাকা জরিমানা বসবে। নতুন বিলের আওতায় উবার-ওলা—র মতো অ্যাপ—নির্ভর ট্যাক্সি পরিষেবা সংস্থাকেও আনা হচ্ছে। এখন অবধি এই সংস্থাগুলিকে নিয়ন্ত্রণের কোনও আইন নেই। আর কোনও নাবালক গাড়ি চালালে অভিভাবক বা গাড়ির মালিকের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা। সঙ্গে তিন বছর পর্যন্ত শ্রীঘর-বাসও হতে পারে।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: মহিলার মোবাইল চুরি সরকারি ক্লার্কের! ভাইরাল বেধড়ক মারের ভিডিও ]

২০১৩ সালে হু-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে প্রতি বছর শুধু মাত্র পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান আড়াই লক্ষের মতো মানুষ। দুর্ঘটনার এই সংখ্যাটা কমানোর লক্ষ্যে বারে বারে পথে নেমেছেন অসংখ্য মানুষ। কিন্তু সেভাবে কোনও কাজ হয়নি। গত সরকারের আমলে এই বিল সংসদে পাস করাতে পারেনি মোদি সরকার। রাজ্যসভায় আটকে গিয়েছে। দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় এসে শুরুতেই এই বিল পাকা করতে অদম্য চেষ্টা করেছেন কেন্দ্রীয় পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গড়করি। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে পরিবারের জন্য ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের বন্দোবস্ত থাকবে। আহত হলে পরিবার পেতে পারে পাঁচ লক্ষ টাকা। এই বিলে রাজ্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে বলে আগে আঞ্চলিক দলগুলি অভিযোগ তুলেছিল। তাই গাড়ি নথিবদ্ধ করার অধিকার আঞ্চলিক ট্রান্সপোর্ট অফিসের বদলে ডিলারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ি রেজিস্ট্রেশনে আধার নম্বর দরকার। নতুন বিলে, ৩০ থেকে ৫০ বছরের চালকের লাইসেন্সের বৈধতা ১০ বছর থাকবে। আগে ২০ বছরের হত। যাত্রীদের অভিযোগ শুনতে তৈরি হবে নয়া কমিটিও। সড়ক পরিবহনের সঙ্গে সঙ্গে বিমান পরিষেবার উন্নতিতে বেশ কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয় লোকসভায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.