Abhijeet Dipke

৬০ হাজার টাকার বেতনে কীভাবে আমেরিকায় পড়াশোনার খরচ জোগাতেন দীপকের বাবা? তদন্তের দাবি আরটিআই কর্মীর

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের বাবার নাম ভগবানরাও দীপকে। তিনি মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (এমআইডিসি)-এ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৬, ১৫:৪৪

options
link
৬০ হাজার টাকার বেতনে কীভাবে আমেরিকায় পড়াশোনার খরচ জোগাতেন দীপকের বাবা? তদন্তের দাবি আরটিআই কর্মীর
পরিবারের সঙ্গে 'ককরোচ' প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ। ছবি: সংগৃহীত।

পেশায় তিনি ছিলেন মহারাষ্ট্র সরকারের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। মাসিক বেতন ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা। এই পরিমাণ অর্থে কীভাবে তিনি ছেলের (অভিজিৎ দীপকে) (Abhijeet Dipke)বিদেশে পড়াশোনার খরচ জোগাতেন? তা খতিয়ে দেখতে এবার তদন্তের দাবিতে সরব সুরাটের এক আরটিআই (রাইট টু ইনফরমেশন) কর্মী অমিত তিওয়ারি। ইতিমধ্যেই তিনি নির্বাচন কমিশন, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস এবং মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে খবর। 

Advertisement

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের বাবার নাম ভগবানরাও দীপকে। তিনি মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (এমআইডিসি)-এ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। অমিত জানিয়েছেন, ভগবানরাওয়ের সম্পত্তির বিষয়ে তদন্তের জন্য তিনি মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। আরটিআই কর্মীর প্রশ্ন, তিনি যদি ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা বেতন পেতেন, তবে কীভাবে তিনি আমেরিকায় তাঁর সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জোগালেন? তাঁর কথায়, “বিষয়টি তদন্তের জন্য আমরা মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় – এমন সম্পত্তির হদিশ মিললে অবিলম্বে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”

Advertisement

সম্প্রতি ‘ককরোচ’রা একটি তহবিল গঠন করার কথা জানিয়েছে। তাদের দাবি, যেখানে যেখানে ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, সেখানে তাদের আইনজীবীরা তাঁদের পাশে দাঁড়াবে। এর জন্য যা খরচা হবে, তা এই তহবিল থেকেই করা হবে। আর এই ‘অরাজনৈতিক আরশোলা’দের তহবিলে ১ কোটি টাকা দান করার ঘোষণা করেছেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কপিল সিব্বল। এই তহবিল খতিয়ে দেখতে অমিত কমিশন এবং আয়কর দপ্তরকে একটি চিঠিও লিখেছেন। সিজেপি-র আইনি অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আরটিআই কর্মী। তাঁর প্রশ্ন, কোনও সংস্থা যদি একটি রাজনৈতিক দলের নামে বা পরিচয়ে কাজ করে, তাহলে তারা কি আদৌ অর্থ গ্রহণ করতে পারে? তিনি বলেন, “ককরোচ জনতা পার্টি একটি অনিবন্ধিত সত্তা হলেও রাজনৈতিক দল হিসাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে। তাদের তহবিলে যদি ১ কোটি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে কমিশনের যাচাই করা উচিত যে, রিপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপল অ্যাক্ট, ১৯৫১-এর ২৯এ ধারায় সিজেপি নিবন্ধিত কি না। যদি না হয়ে থাকে, তাহলে ওই তহবিল খতিয়ে দেখা উচিত।”

Advertisement

শুধু তাই নয়, সিব্বলের ঘোষিত অনুদানের উপর জিএসটি প্রযোজ্য হবে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ‘সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস’-এরও দ্বারস্থ হয়েছেন অমিত। অন্যদিকে, সিজেপি নেতৃত্বাধীন আন্দোলনেরও সমালোচনা করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, এই আন্দোলন নিট প্রশ্ন ফাঁসের মতো মূল বিষয়বস্তুর গণ্ডির বাইরে চলে গিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.