২০০৮ সালে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে দেয়নি ইউপিএ সরকার, মন্তব্য প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধানের

কেন এমন বললেন ফৌলি হোমি মেজর?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৯, ১৪:৩৪

options
link
২০০৮ সালে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে দেয়নি ইউপিএ সরকার, মন্তব্য প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধানের
প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান ফৌলি হোমি মেজর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বই হামলার পর পাকিস্তানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে অনুমতি দেয়নি ইউপিএ সরকার। একথা স্বীকার করে নিলেন তৎকালীন বায়ুসেনা প্রধান ফৌলি হোমি মেজর। মুম্বই হামলার পর পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা জঙ্গি ট্রেনিং ক্যাম্পগুলিকে ধ্বংস করার জন্য পরিকল্পনা নিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। এবিষয়ে তাদের তরফে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারকে বারবার অনুরোধ করা হলেও প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়া যায়নি। তাই তখন সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে পারেনি বায়ুসেনা।

Advertisement

এপ্রসঙ্গে প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান ফৌলি হোমি মেজর জানান, মুম্বই হামলার দুদিন পরে তিন বাহিনীর প্রধান, তৎকালীন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি ও প্রতিরক্ষা সচিবকে নিয়ে নিজের বাড়িতে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। ওই বৈঠকের আগে তিন সেনাপ্রধানের মধ্যে আলোচনা হয়, কী করা যেতে পারে। সরকার কী করতে বলতে পারে। এরপর বৈঠকের সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-কে তাঁদের হাতে কী অস্ত্র এবং বিমান আছে ও কীভাবে তাঁরা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা জঙ্গিদের ট্রেনিং ক্যাম্পগুলিকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করছেন তা স্পষ্ট করেন। কিন্তু, সবকিছু শোনার পরেও সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি দেননি মনমোহন সিং।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আবারও মুখ পুড়ল পাকিস্তানের, এফ-১৬ যুদ্ধবিমান গুঁড়িয়ে দিল ভারতীয় বায়ুসেনা]

Advertisement

তাঁর আক্ষেপ, ফলে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের সেই সুযোগ হাতছাড়া করি আমরা। বায়ুসেনার তরফে যদি তখন পাকিস্তানে সার্জিকাল স্ট্রাইক করা হত তাহলে তার একটা প্রভাব সন্ত্রাসবাদের উপরে পড়তই। যদিও তৎকালীন সরকারের তরফে সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

২০১৬ সালে উরি হামলার পর প্রথম পাকিস্তানের মাটিতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায় ভারত। তখন কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছিল, ইউপিএ-র শাসনকালেও সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করা হয়েছিল। কিন্তু, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো নির্বাচনে ফায়দা তোলার জন্য তার প্রচার করা হয়নি। যদিও কংগ্রেসের দাবি যে মিথ্যে তা প্রমাণ হল তৎকালীন বায়ুসেনা প্রধান ফৌলি হোমি মেজরের কথায়। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে, ২৬/১১-এর হামলার পর পাকিস্তানকে উপযুক্ত শিক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও কেন কাজে লাগায়নি কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন ইউপিএ সরকার? বায়ুসেনা প্রধানের তরফে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হলেও ইউপিএ সরকার কেন তা শোনেনি? ২০১৬ সালের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর দেশবাসীকে ভুলপথে চালিত করতেই কি কংগ্রেসের তরফে তাদের সময়ে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করা হয়েছিল বলে দাবি জানানো হয়?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.