Global Hunger Index

লজ্জা! বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশ, পাকিস্তানেরও পিছনে ভারত

ভারতের ১৪ শতাংশ মানুষ অপুষ্টির শিকার, বলছে রিপোর্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২০, ১৭:০৯

options
link
লজ্জা! বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশ, পাকিস্তানেরও পিছনে ভারত
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে ২০২০ সালের বিশ্ব ক্ষুধা সূচক (Global Hunger Index)। তাতে দেখা যাচ্ছে, ১০৭টি দেশের মধ্যে ৯৪ তম স্থানে রয়েছে ভারত (India)। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানেরও পিছনে। গত বছরও শোচনীয় অবস্থান ছিল ভারতের। সেবার ১১৭টি দেশের মধ্যে ১০২ নম্বরে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘নিউ ইন্ডিয়া’। ক্ষুধা ও অপুষ্টির নিরিখে এই তালিকাটি তৈরি হয়। সূচক অনুযায়ী ভারতের অবস্থান ‘গুরুতর’ বিভাগে। বাংলাদেশ, মায়ানমার, পাকিস্তানও এই বিভাগেই পড়ছে। তবে তাদের অবস্থান ভারতের আগে। বাংলাদেশের অবস্থান ৭৫। মায়ানমার ও পাকিস্তান যথাক্রমে রয়েছে ৭৮ ও ৮৮ নম্বরে। 

Advertisement

বিশ্ব ক্ষুধা সূচকের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে ১৪ শতাংশ মানুষ অপুষ্টির শিকার। শিশুদের ক্ষেত্রে হারটা আরও বেশি। দেশের ৩৭.৪ শতাংশ শিশু, যাদের বয়স পাঁচের নীচে তাদের দেহের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম। ১৭.৩ শতাংশের দৈহিক উচ্চতা স্বাভাবিকের তুলনায় কম। এরা সকলেই অপুষ্টিতে ভুগছে। অনূর্ধ্ব পাঁচের শিশুদের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার ৩.৭ শতাংশ। কেন এই অবস্থা ভারতের? বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যথাযথ পর্যবেক্ষণের অভাব, দুর্বল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ইত্যাদি নানাবিধ কারণেই শোচনীয় হয়ে উঠেছে ভারতের অবস্থান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট থেকে লক্ষ লক্ষ ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস! দাবি মার্কিন সংস্থার]

রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৯১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পরিসংখ্যান থেকে দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তানে শিশুদের মধ্যে অপুষ্টিজনিত রোগের অন্যতম কারণ হল পরিবারের দারিদ্র, সঠিক মানের খাবারের অভাব, প্রসূতির পুষ্টির অভাবের মতো নানা বিষয়।

Advertisement

ভারতের প্রতিবেশীদের মধ্যে অপেক্ষাকৃত ভালো জায়গায় নেপাল ও শ্রীলঙ্কা। তালিকায় নেপাল রয়েছে ৭৩ নম্বরে। শ্রীলঙ্কার অবস্থান ৬৪তম। এই দুই দেশের অবস্থান হয়েছে ‘মাঝারি’ বিভাগে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, সামগ্রিকভাবে বহু দেশেরই পরিস্থিতি ক্রমশ ভালো হয়েছে আগের তুলনায়। কিন্তু বাকি দেশগুলির অবস্থা শোচনীয়। তালিকার শীর্ষে রয়েছে চিন, বেলারুশ, ইউক্রেন, তুর্কি, কিউবা, কুয়েতের মতো সতেরোটি দেশ। যাদের স্কোর পাঁচেরও নীচে।

[আরও পড়ুন : ‘কেউ প্রতিশ্রুতি দেয়, আমরা করে দেখাই’, পাঞ্জাবের ‘স্মার্ট গ্রাম’ উদ্বোধনে খোঁচা রাহুলের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.