বিমান

‘এয়ারফোর্স ওয়ান’-এর ধাঁচে তৈরি বিশেষ বিমান আনতে আমেরিকায় পাড়ি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের

প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির জন্য বিশেষভাবে তৈরি হয়েছে বিমানগুলি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২০, ১১:৫৯

options
link
‘এয়ারফোর্স ওয়ান’-এর ধাঁচে তৈরি বিশেষ বিমান আনতে আমেরিকায় পাড়ি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’-এর ধাঁচে তৈরি ভিভিআইপি বিমান ‘এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ান’ দেশে আনতে আমেরিকায় পাড়ি দিল ভারতীয় প্রতিনিধিদল। ওই দলে রয়েছেন ভারতীয় বায়ুসেনা, এয়ার ইন্ডিয়া, নিরাপত্তা বাহিনী ও কেন্দ্রের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ১ হাজার দিনের মধ্যে দেশের প্রত্যেক গ্রামে অপটিক্যাল ফাইবার, স্বপ্ন দেখালেন প্রধানমন্ত্রী]

প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতির নিরাপদ সফরের জন্য এই বিশেষ বিমানগুলি তৈরি করছে মার্কিন সংস্থা বোয়িং। দুটি ‘বোয়িং ৭৭৭-ইআর’ মডেলের বিমানের একটি চলতি মাসেই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হবে। বিমানগুলি বিশেষভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ও উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডুর জন্য তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিমানের যাবতীয় পরীক্ষানিরীক্ষা সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। ভেতরের সাজসজ্জার কাজও শেষ হয়েছে। একটি এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ান(এআই ওয়ান) বিমানকে ছাড়পত্রও দিয়েছে মার্কিন সংস্থা ফেডেরাল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ)। এর অর্থ, বিমানটি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত। সেই বিমানটিকেই ভারতে নিয়ে আসা হবে। সেপ্টেম্বর মাসে এমন আরও একটি বিমান ভারতের হাতে আসবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিরাপত্তার চাদরে মোড়া বিমান দু’টি সহজেই মিসাইল হানা এড়াতে সক্ষম। রয়েছে সেলফ প্রোটেকশন স্যুট। বিমানগুলিতে রয়েছে সেলফ প্রোটেকশন স্যুটস (SPS). এয়ারক্রাফ্ট ইনফ্রারেড কাউন্টার মেসার্স, অত্যাধুনিক ডিফেন্সিভ ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুট এবং কাউন্টার মেসার্স ডিসপেন্সিং সিস্টেম৷ যা যে কোনও মিসাইল হানা থেকে এই বিমানগুলিকে রক্ষা করবে৷ অনেকটা মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্য তৈরি ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’-এর ধাঁচেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য এই বিশেষ বিমানগুলি তৈরি হয়েছে৷ এতে রয়েছে অত্যাধুনিক ও সুরক্ষিত যোগাযোগ ব্যবস্থা। যার মাধ্যমে মাঝ-আকাশ থেকেও নিরবিচ্ছিন্ন অডিও ও ভিডিও যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব। পাশাপাশি, এই বিমানের নেটওয়ার্ক হ্যাক করা সম্ভব নয় বলেই জানা গিয়েছে। এই বিমান থেকে অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে গোটা দুনিয়ার সঙ্গে কথা বলা যাবে। চালকের আসনে থাকবেন বায়ুসেনার পাইলট। বিমানের ডানায় লাগানো থাকে ফ্লেয়ার্স, এর থেকে বেরনো তাপ, যে কোনও মিসাইলকে বিপথগামী করে দিতে পারে। এধরনের বিমানে থাকে মিরর বল সিস্টেম। যা অকেজো করে ইনফ্রারেড সিগনালকে। দুটি বিমানের জন্য খরচ হয়েছে ৮ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা।

Advertisement

২০১৮ সালে এয়ার ইন্ডিয়ার দুটি Boeing 777-300ER বিমানকেই আমেরিকার ডালাসে বোয়িংয়ের একটি কারখানায় পাঠানো হয়েছিল। দেশের ভিভিআইপি-দের জন্য সেগুলিকে নতুন করে সাজানো হয়। দুটি বিমানের বয়স ৩ বছরের কম৷ জানা গিয়েছে, বিমান দু’টি চালাবে এয়ারফোর্সের পাইলট। তবে বিমানের দেখভাল করলে এয়ার ইন্ডিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। এর আগে এয়ার ইন্ডিয়ার যে বোয়িং-৭৪৭ বিমানগুলি ভিভিআইপি-দের জন্য ব্যবহার করা হত। সেগুলি বহু পুরনো। তাই এবার সেগুলিকে বাতিল করার পালা। এবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের এয়ার ফোর্স ওয়ানের ধাঁচে তৈরি বিমানে চড়বেন প্রধানমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসেই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরল ২৫ লক্ষ, মৃত ৪৯ হাজার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.