ফের বিতর্কে ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরেনের প্রশাসন। এবার অনশনকারী ছাত্রনেতা দেবেন্দ্র মাহাতোকে তেরঙ্গা যাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। শুধু বাধা দেওয়া নয়, তাঁকে রীতিমতো মারধর করার এবং টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। যদিও পুলিশের সাফাই, স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই দেবেন্দ্রকে হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ঝাড়খণ্ডে প্রশ্নফাঁস এবং নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে গত ১৪ দিন ধরে অনশনে দেবেন্দ্র। ইতিমধ্যেই তাঁকে অনেকে ঝাড়খণ্ডের সোনম ওয়াংচুক বলা শুরু করেছেন। প্রথম কিছুদিন নির্জলা উপবাসের পর সোনমের অনুরোধে জলগ্রহণ করেন তিনি। তবে অনশন এখনও চলছে। দিন কয়েক আগে পড়ুয়াদের বিধানসভা ঘেরাও অভিযানের পর থেকেই রাঁচির সদর হাসপাতালে ভর্তি দেবেন্দ্র।
14 दिनों से भूख हड़ताल पर बैठे मेरे साथ आज पुलिस द्वारा धक्का-मुक्की और बलपूर्वक रोकने की कोशिश की गई। मेरे साथ मौजूद साथियों के साथ भी पुलिस द्वारा मारपीट की गई।
Advertisementकई दिनों से भूखा होने के बावजूद मैं अपने अधिकार और जनता की आवाज़ के लिए खड़ा हूँ। हमें इस तरह रोककर हमारी आवाज़ को… pic.twitter.com/TRxMaMkBqR
— Devendra Nath Mahto (@DevendraNathMa9) August 15, 2026
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেবেন্দ্র অনশনরত অবস্থাতেই সমর্থকদের নিয়ে তেরঙ্গা যাত্রা করতে চেয়েছিলেন তিনি। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করারও ইচ্ছা ছিল তাঁর। কিন্তু অনুমতি দেয়নি হেমন্ত সোরেনের সরকার। একপ্রকার জোর করেই দেবেন্দ্র হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ তাঁকে জোর করে আটকে দেয়। হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। জোর করে তাঁকে বিছানায় টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। পুরো ঘটনা সোশাল মিডিয়ায় লিখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেবেন্দ্র। তাঁর প্রশ্ন, “এ কেমন স্বাধীনতা। আমাকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনেরও অনুমতি দেওয়া হল না।”
দেবেন্দ্র মাহাতো হাসপাতালে নিজের ঘরের বাইরেই ধরনায় বসে গিয়েছেন। তাঁর দাবি, যতক্ষণ না তাঁকে পতাকা উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হবে তিনি ধরনা দেবেন। ওই ছাত্রনেতার দাবি, তাঁর বুকে আঘাত লেগেছে। তাঁর সঙ্গীদের মারধর করেছে পুলিশ। তিনি বলছেন, “১৪ দিন অনশন করার পরও আমি আমার অধিকারের দাবিতে দৃঢ় পায়ে দাঁড়িয়ে আছি। এভাবে আমাদের আটকে দেওয়া যাবে না।”
पुलिस द्वारा लगातार धक्का-मुक्की कर मुझे रोका गया। आखिरकार मैं अपने रूम के गेट के बाहर ही बैठ गया हूँ।
जब तक मुझे यहाँ से बाहर निकलने नहीं दिया जाता, तब तक मैं यहीं बैठा रहूँगा। मैं अपना इलाज भी नहीं करवाऊँगा और यहीं रहकर अपनी बात रखूँगा।
मेरी लड़ाई जनता के अधिकार और न्याय के… pic.twitter.com/2dgT1CIw6e
— Devendra Nath Mahto (@DevendraNathMa9) August 15, 2026
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যপালের দিকে পিছন ঘুরে দাঁড়ানোর ‘শাস্তি’! ৪ বছর ধরে কুচকাওয়াজে ব্রাত্য মাউন্টেড পুলিশের ঘোড়া
-
সাহগেল হোসেনের ফ্ল্যাটে উদ্ধার সোনা, বিপুল সম্পত্তির নথি! আটক অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে নদিয়ায় জোড়া খুন! গুলিতে ঝাঁঝরা কংগ্রেস নেতা এবং তাঁর ছেলে
-
অন্ধপ্রদেশ থেকে ২০০ আইফোন চুরি! বাংলাদেশে পাচারের আগেই ফরাক্কায় ধৃত চার কীর্তিমান
-
‘ডিম থেরাপি’ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলল এবিভিপি, উপাসনার উপর হামলা নিয়ে কী বক্তব্য?