সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বয়স মাত্র বারো। কৈশোরে পা দেওয়ার আগে অসাধ্য সাধনের পথে দ্বাদশী। কনসার্টে পঁচাশিটি ভাষায় গান গেয়ে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নিজেকে দেখতে বদ্ধপরিকর ভারতীয় সন্তান সুচেতা সতীশ।
[বিরল দৃশ্য, সোমবার পরস্পরের খুব কাছাকাছি আসবে বৃহস্পতি ও শুক্র গ্রহ]

সুচেতার জন্ম কেরলে। তবে তার পড়াশোনা, বেড়ে ওঠা কিংবা সঙ্গীতের প্রতি আগ্রহ সবটাই দুবাইয়ে। মরু শহরের ইন্ডিয়ান হাই স্কুলের ক্লাস সেভেনের ছাত্রী সুচেতা ইতিমধ্যে ৮০টি ভাষায় গেয়ে ফেলেছে। অথচ বছর খানেক আগেও গান-বাজনা নিয়ে তার তেমন একটা আগ্রহ ছিল না। সুচেতার কথায়, তার বাবার এক বন্ধু দুবাইয়ের বাড়িতে এসেছিলেন। তাঁর থেকে শুনে জাপানি গানের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। এভাবেই একে একে ৮০টি ভাষায় সে গাইতে শিখে যায়। অবাক করা তথ্য হল, এক একটি গান গাইতে সুচেতার সময় লাগে মাত্র ২ ঘণ্টা। বাড়িতেই সে গান তুলে নেয়। তবে জার্মান, ফরাসি এবং হাঙ্গেরি গাইতে গিয়ে সুচেতা বেশ বেকায়দায় পড়েছিল। উচ্চারণের পাশাপাশি সুর নিয়ে সমস্যা বাধে। হিন্দি, তামিল, মালয়লামের মতো ভারতীয় ভাষার পাশাপাশি জাপান, ফরাসি, রাশিয়ান, পর্তুগিজেও সে বেশ সাবলীল। ইউটিউবে সুচেতার একাধিক গানের ভিডিও রয়েছে। যা বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। বেশ কিছু এফএম চ্যানেলেও সে কাজ করেছে।
[শাড়িতেই আস্ত রামায়ণ, বিশ্বের দরবারে পুরস্কৃত বাংলার এই শিল্পী]
স্টেজ পারফরমেন্সে একসঙ্গে অনেকগুলি ভাষায় গানের রেকর্ড অবশ্য রয়েছে এক ভারতীয়র দখলে। ২০০৮ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের গান্ধি হিলসের কেশিরাজ শ্রীনিবাস পরপর ৭৬টি ভাষায় গেয়েছিলেন। এই নজির ছাপিয়ে যেতে সুচেতা ৮৫টি ভাষায় গাইতে চায়। আগামী বছরে তার স্টেজ শো করার পরিকল্পনা রয়েছে। যেখানে ৮৫টি ভাষায় গেয়ে বিশ্বকে চমকে দিতে যায় কেরলের এই সন্তান।
সর্বশেষ খবর
-
‘কেউ যেন বলতে না পারে মেয়েরা কিছু পারে না’, প্রার্থনা রাজ্যের প্রথম মহিলা মেকানিক সোনালির
-
দশমীতে মায়ের পাতে চিঁড়ে, চ্যাং মাছ পোড়া! তিন শতকে অটুট দুর্গাপুরের এই পুজোর রীতি
-
‘মা নাড়ু বানিয়েছ?’ পুজো এলেই শহিদ ছেলের ডাক মনে পড়ে মমতার
-
দুর্ঘটনার কবলে ফরাক্কা এক্সপ্রেস, লাইন থেকে নেমে গেল ইঞ্জিন, তীব্র আতঙ্কে যাত্রীরা
-
নৈতিকতা ও ন্যায়বিচারের সংঘাত! খার্কি উর্দিতে কতটা জমল করিনা, পৃথ্বীরাজ সুকুমারনের ‘দায়রা’?