Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Durga puja 2026

দশমীতে মায়ের পাতে চিঁড়ে, চ্যাং মাছ পোড়া! তিন শতকে অটুট দুর্গাপুরের এই পুজোর রীতি

মহালয়ার দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় মায়ের ভোগ রান্না। প্রতিদিনই রান্না হয় নানা পদ।

সনাতন গড়াই
সনাতন গড়াই

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ১৮:২২

link
সনাতন গড়াই
সনাতন গড়াই

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ১৮:২২

options
link
দশমীতে মায়ের পাতে চিঁড়ে, চ্যাং মাছ পোড়া! তিন শতকে অটুট  দুর্গাপুরের এই পুজোর রীতি zoom
Advertisement

মহালয়া থেকেই শুরু মায়ের ভোগ! প্রতিদিন হয় নানা পদ। নবমী ও দশমীতে বিশেষ। নবমীতে দেবী দশভূজাকে দেওয়া হয়, লাউয়ের তরকারি। দশমীতে থাকে মায়ের পাতে চিঁড়ের সঙ্গে চ্যাং মাছ পোড়া। সময় বদলেছে। কমেছে পুজোর জৌলুসও। কিন্তু প্রায় ৩০০ বছর ধরে দুর্গাপুরের চট্টোপাধ্যায় বাড়িতে দেবী আরাধনার রীতিতে ছেদ পড়েনি আজও। পরিবারের সদস্যদের কথায়, “নবমীর দুপুরে মায়ের ভোগে লাউয়ের তরকারি থাকবেই। দশমীর দিন দুপুরে দেওয়া হয় চিঁড়ের ভোগ ও চ্যাং মাছ পোড়া। মহালয়ার দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় মায়ের ভোগ রান্না। প্রতিদিনই রান্না হয় নানা পদ।”

বর্ধমানের রাজা বিজয় চাঁদের থেকে জায়গিরদারি পান গোপীনাথ চট্টোপাধ্যায়রা। ইংরেজ আমলে বাঁকুড়া, জগন্নাথপুর হয়ে তাঁদের ঘাঁটি হয় দামোদর নদের পাশের অঞ্চল। পরে গোপীনাথের বড় ছেলে দুর্গাচরণের নামেই জায়গার নাম হয় দুর্গাপুর! এমনটাই দাবি পরিবারের। পরে পরিবারের এক সদস্য দেবীর স্বপ্নাদেশ পান। তারপর এই বাড়িতে দুর্গাপুজোর শুরু। সেই থেকেই নিষ্ঠাভরে চলে আসছে দশভূজার আরাধনা। সেই চট্টোপাধ্যায় বাড়ির দুর্গাপুজো আজকে প্রায় ৩০০ বছরের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
পরিবারের এক সদস্য স্বপ্নাদেশ পান। তারপর বাড়িতে দুর্গাপুজো শুরু।

জায়গিরদারির সময় পুজোর চার দিন গ্রামের মানুষের জন্য চলত অন্নভোগের আয়োজন। নবমীর দিন চার-পাঁচটি গ্রামের মানুষ দুপুর থেকেই খেতে বসতেন। খাওয়া শেষ হতে গড়িয়ে যেত সন্ধ্যা। সঙ্গে বসত নহবত। একসময় এই পুজোয় মহিষ বলির রীতিও ছিল। আজ তা বন্ধ। ফিকে পুজোর জৌলুসও। তবে রীতিতে কোনও ছেদ পড়েনি। আজও, একচালার প্রতিমা। ডাকের সাজ। প্রতিপদে বনেদিয়ানার ছাপ। পরিবারের সদস্যরা দেশ-বিদেশের যে প্রান্তেই  থাকুন, পুজোর চার দিন সকলেই ফিরে আসেন এক ছাদের তলায়।

এ দিন চট্টোপাধ্যায় পরিবারে গিয়ে দেখা গেল, ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে মন্দির পরিষ্কারের কাজ। পুরনো রীতি মেনেই এবারও প্রস্তুতি চলছে পুজোর। বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি শুরু করেছেন দূরে থাকা সদস্যরাও। পুজোর চারটে দিন এক হওয়ার দিন গুনছে তাঁরা। ৩০০ বছরের পুজো আজও মনে করিয়ে দেয় ঐতিহ্যের বয়স বাড়ে। কিন্তু তার টান ফুরোয় না!

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.