Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Farakka Express Derailment

দুর্ঘটনার কবলে ফরাক্কা এক্সপ্রেস, লাইন থেকে নেমে গেল ইঞ্জিন, তীব্র আতঙ্কে যাত্রীরা

লাইনচ্যুত ফরাক্কা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন। বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন যাত্রীরা। ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট স্টেশনের কাছেই।

রাজা দাস
রাজা দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ১৯:০১

link
রাজা দাস
রাজা দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ১৯:০১

options
link
দুর্ঘটনার কবলে ফরাক্কা এক্সপ্রেস, লাইন থেকে নেমে গেল ইঞ্জিন, তীব্র আতঙ্কে যাত্রীরা zoom
লাইন থেকে নেমে গিয়েছে রেলের ইঞ্জিন। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

লাইনচ্যুত ফরাক্কা এক্সপ্রেসের (Farakka Express Derailment) ইঞ্জিন। বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন যাত্রীরা। ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট স্টেশনের কাছেই। ঘটনায় প্রবল হইচই ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। কীভাবে ওই ঘটনা ঘটল? খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিন ওই ট্রেনটি আর গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাবে কি? সেই প্রশ্নও উঠেছে। কিছুদিন আগেই মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার কাছে লাইনে বড়সড় ধস নেমেছিল। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের রেলপথে যোগাযগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সেই ধস মেরামতি করে ফের চালু হয় রেল পরিষেবা। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার এই বিপত্তি।

রেল সূত্রে খবর, সিক লাইন থেকে মেন লাইনে নিয়ে যাওয়ার সময় লাইনচ্যুত বালুরঘাট-ভাটিন্ডাগামী (দিল্লি) ফারাক্কা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন। বালুরঘাট রেল স্টেশনের ঘটনায় শোরগোল পরে যায়। ইঞ্জিন বিপত্তির জেরে নির্ধারিত সময়ে এদিন ছাড়া যায়না ফরাক্কা এক্সপ্রেস। আতঙ্ক দেখা দিয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ১২ টার পর বালুরঘাট স্টেশনে ঢোকে ট্রেনটি। যাত্রী নামিয়ে ওই ট্রেনের ইঞ্জিনটি নিয়ে যাওয়ার হয় সিক লাইনে। সেখানে রক্ষনাবেক্ষণ বা পুনরায় যাত্রার জন্য প্রস্তুত করা হয় ইঞ্জিনটি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন বিকেল ৫টা নাগাদ পুনরায় বালুরঘাট থেকে ভাটিন্ডার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সূচি ছিল ফারাক্কা এক্সপ্রেসটির। এজন্য সেই ট্রেনের ইঞ্জিনটিকে মেন লাইন দিয়ে ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে নিয়ে যাওয়ার হচ্ছিল। কিন্ত শুরুতেই ঘটে বিপত্তি ঘটে। আচমকা ইঞ্জিনটি লাইনচ্যুত হয়। সঙ্গে সঙ্গে চালক ইঞ্জিন থামিয়ে দেন। খবর পেয়ে রেলের ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মীরা ঘটনাস্থল পৌঁছন। অনান্য যাত্রী ও সাধারণের ভিড় জমে যায় সেখানে। লাইনের ত্রুটি নাকি অন্য কিছু তা খতিয়ে দেখছে রেল কর্তৃপক্ষ। প্রশ্ন উঠেছে রেলের ভূমিকায়। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে কাটিহার ডিভিশনের তরফে জানানো হয়েছে যে, ইঞ্জিনটি লাইনে ওঠাতে কাটিহার থেকে বিশেষ ট্রেন পাঠানো হয়েছে বালুরঘাট। ইঞ্জিন-সহ ট্রেনটি যাতায়াতের যোগ্য করে তবেই সেটি ছাড়া হবে ভাটিন্ডার উদ্দেশ্যে। এজন্য কিছুটা সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে রেলের তরফে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.