Wayanad

‘অভিশপ্ত’ ওয়ানড়ে ফের বিপর্যয়! টানেলের কাজের মাঝেই ভূমিধসে মৃত ২, অনেকের চাপা পড়ার আশঙ্কা

ভয়ংকর এই দুর্ঘটনা ঘটে কাল্লাডির মীনাক্ষী সেতুর কাছে। এখানে মালাপ্পুরম ও ওয়ানড় জেলাকে সংযুক্ত করতে একটি টানেল নির্মাণের কাজ চলছিল। কাজের সুবিধার জন্য ওই টানেলের মধ্যেই থাকছিলেন শ্রমিকরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৪:২১

options
link
‘অভিশপ্ত’ ওয়ানড়ে ফের বিপর্যয়! টানেলের কাজের মাঝেই ভূমিধসে মৃত ২, অনেকের চাপা পড়ার আশঙ্কা
টানেলের কাজের মাঝেই ভূমিধস ওয়ানড়ে।

২০২৪-এর স্মৃতি ফিরিয়ে ফের ভূমিধসের কবলে কেরলের ওয়ানড়। মঙ্গলবার ওয়ানড় জেলার কাল্লাডি এলাকায় ভূগর্ভস্থ টানেলে কাজ চলাকালীন ভয়ংকর ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। যার জেরে এখনও পর্যন্ত ২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ওই এলাকায় বহু মানুষের চাপা পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের উদ্যোগে ৬ জনকে উদ্ধার করা হলেও বাকিদের উদ্ধারের কাজ শুরু করেছে দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ভয়ংকর এই দুর্ঘটনা ঘটে কাল্লাডির মীনাক্ষী সেতুর কাছে। এখানে মালাপ্পুরম ও ওয়ানড় জেলাকে সংযুক্ত করতে একটি টানেল নির্মাণের কাজ চলছিল। কাজের সুবিধার জন্য ওই টানেলের মধ্যেই থাকছিলেন শ্রমিকরা। কেরলের রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগের তরফে জানা যাচ্ছে, দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে কোনও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিধসে টানেলের কর্মীদের যাতায়াতে ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুলিশ ও জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) সদস্যদেরও ওই এলাকায় পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

ভয়ংকর এই দুর্ঘটনা ঘটে কাল্লাডির মীনাক্ষী সেতুর কাছে। এখানে মালাপ্পুরম ও ওয়ানড় জেলাকে সংযুক্ত করতে একটি টানেল নির্মাণের কাজ চলছিল।

এদিকে ভূমিধসের খবর পাওয়ার পরই জরুরি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন। স্থানীয় জেলাশাসকের সঙ্গে ফোনে কথা বলে প্রয়োজনীয় সবরকম ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। উদ্ধারকাজে সমন্বয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রী এপি অনিল কুমার ও টি সিদ্দিকিকে। কৃষিমন্ত্রী টি সিদ্দিকি বলেন, ‘এই ঘটনা কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়, বরং মানব সৃষ্ট। স্থানীয় জেলাশাসক কোঙ্কণ রেলওয়েকে লিখিতভাবে আগেই ভূমিধসের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার কথাও বলা হয়। তবে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যার জেরেই এই দুর্ঘটনা। এখনও পর্যন্ত ৬ জনকে ওই এলাকা থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের গত ৩০ জুলাই মধ্যরাতে ভয়াবহ ধসে কার্যত মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয় ওয়ানাড়ের পাহাড়ি অঞ্চল। ভূমিধসের জেরে কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয় গোটা এলাকা। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর পাশাপাশি উদ্ধারকাজে নামে দেশের তিন সেনাবাহিনী। কার্যত রাতারাতি চুরামালা ও মুন্ডাক্কাই গ্রামের মধ্যে বেইলি ব্রিজ তৈরি করে উদ্ধারকাজ শুরু করে সেনা। মর্মান্তিক সেই দুর্ঘটনায় সরকারি মতে, মৃতের সংখ্যা ২২৪। যদিও বেসরকারি মতে সংখ্যাটা ৪০০ পেরিয়ে যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.