সিবিআই তদন্তে বাধা, প্রদ্যুম্ন হত্যাকাণ্ডে এবার নাম জড়াল বিজেপি নেতার

নেতা ও পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নিহত প্রদ্যুম্নর বাবার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯, ১৫:০৪

options
link
সিবিআই তদন্তে বাধা, প্রদ্যুম্ন হত্যাকাণ্ডে এবার নাম জড়াল বিজেপি নেতার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র প্রদ্যুম্ন ঠাকুর হত্যাকাণ্ডে এবার নাম জড়াল হরিয়ানার এক মন্ত্রীর। সোমবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে, প্রদ্যুম্নর বাবা বরুণ ঠাকুরের এই অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Advertisement

প্রদ্যুম্ন হত্যাকাণ্ডে প্রমাণ লোপাট, সিবিআই নজরে ৪ পুলিশকর্মী ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রদ্যুম্ন হত্যাকাণ্ডে পুলিশ-প্রশাসন ও স্কুল কর্তৃপক্ষর অসাধু যোগাযোগের চিত্রটি ক্রমেই পরিষ্কার হচ্ছে। যেভাবে নির্দোষ কন্ডাক্টর অশোক ঠাকুরকে ফাঁসানো হয়েছে তা তাজ্জব করেছে দেশবাসীকে। সিবিআই তদন্তে স্পষ্ট যে, দোষী একাদশ শ্রেণির ছাত্রটিকে আড়াল করতেই পুলিশ ও প্রশাসনের একাংশ সক্রিয় ছিল। ইতিমধ্যেই তদন্তে চার পুলিশকর্মীর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে সিবিআই। এই সিবিআইয়ের কাছে যাতে প্রদ্যুম্নর বাবা না যান, সেজন্য তাঁর উপর চাপ দিয়েছিলেন হরিয়ানারই এক মন্ত্রী। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বরুণ জানিয়েছেন, ওই নেতার নাম রাও নরবীর সিং। বরুণ যে এলাকায় বাস করেন, সেখানকার বিধায়কও তিনি। বরুণের অভিযোগ, ঘটনায় যখন তাঁরা সিবিআই তদন্ত চাইছেন, সে সময় ওই নেতা তাঁদের বাড়িতে আসেন। বরুণ যাতে সিবিআই পর্যন্ত না পৌঁছান তার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেন। বলেন, সিবিআইয়ের কাছে যাওয়ার কোনও মানে হয় না। কেননা সিবিআইয়ের কাছে বছরের পর বছর মামলা পড়ে থাকে। কোনও সুরাহা হয় না। তাছাড়া সিবিআইয়ের তদন্তেও যদি কন্ডাক্টরই দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে আর কী বলার থাকতে পারে! যদিও তাতেও সিবিআই তদন্ত থেকে সরে আসেননি বরুণ ঠাকুর। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী বরুণের বাড়ি যাওয়ার ঠিক একদিন আগেই তিনি এই ফয়সালা করতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ বরুণের।

Advertisement

 তিন তালাক নয় আসলে ডিভোর্স, স্ত্রীর অভিযোগে সাফাই অধ্যাপকের ]

তাঁর আরও অভিযোগ, পুলিশের তরফ থেকেও এক আধিকারিক দূত হয়ে তাঁর বাড়ি এসেছিলেন। তিনিও সিবিআই তদন্তে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। জানান, যদি বরুণ সিবিআইয়ের দ্বারস্থ হন, তাহলে কেন তিনি চাইছেন, তা লিখিতভাবে যেন পুলিশের কাছে জমা দেন। যদিও আইনজীবীর পরামর্শে সে কাজ করেননি বরুণ। ফলে সিবিআই তদন্তের আর্জি নিয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। এরপর পুরো ঘটনা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাতে আসে। তারপরই নির্দোষ কন্ডাক্টরের বদলে প্রকৃত অপরাধীকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়। প্রদ্যুম্নর পক্ষের আইনজীবীর আরও অভিযোগ, সিবিআই রায়ান স্কুলে প্রবেশের ঠিক আগে একদিন স্কুল খুলে কিছু কাজ করা হয়েছিল। প্রমাণাদি নষ্ট করা হয়েছিল বলেই তাঁর অনুমান। ইতিমধ্যে সিবিআইও পুলিশের বিরুদ্ধে সেই একই অভিযোগ করেছে। এদিকে রায়ান স্কুলের মালিকের সঙ্গে বিজেপি মহিলা মোর্চার যোগও স্পষ্ট হয়েছে। তিনি সংগঠনের ন্যাশনাল সেক্রেটারি বলেই জানাচ্ছে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি। ফলে প্রদ্যুম্ন হত্যাকাণ্ড চাপা দিতে, প্রভাবশালীর পুত্রকে বাঁচাতে পুলিশ-প্রশাসন ও স্কুল কর্তৃপক্ষের যোগসাজশ আর কোনওভাবেই গোপন থাকছে না। খুব শিগগিরি এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশ করবে সিবিআই।

রাহুলের ধর্ম নিরপেক্ষতা যেন বারবনিতাদের প্রেম, কটাক্ষ বিজেপি সাংসদের ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.