পিঁপড়ে

অমানবিক! মৃতদেহের চোখ খুবলে খাচ্ছে পিঁপড়ে, বরখাস্ত পাঁচ চিকিৎসক

হৃদয় দুর্বল হলে ছবিটি দেখবেন না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০১৯, ১৮:০৭

options
link
অমানবিক! মৃতদেহের চোখ খুবলে খাচ্ছে পিঁপড়ে, বরখাস্ত পাঁচ চিকিৎসক
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাসপাতালে রাখা মৃতদেহের শরীরজুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে শয়ে শয়ে পিঁপড়ে। চোখের ভিতরেও ঢুকে পড়ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ে থাকা মৃতদেহের দিকে কারও খেয়ালই নেই। মধ্যপ্রদেশের এক সরকারি হাসপাতালের এমন দৃশ্য দেশজুড়ে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। খবর পাওয়ামাত্রই বুধবার মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই এ ঘটনায় বরখাস্ত করা হয়েছে এক সার্জেন-সহ পাঁচ চিকিৎসককে।

Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে পিঁপড়ে ধরা সেই মৃতদেহের ছবি। আর তারপর থেকেই মধ্যপ্রদেশের শিবপুর জেলা হাসপাতালের এই ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা দেশকে। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রের খবর, মৃতদেহটি ৫০ বছর বয়সি বালাচন্দ্র লোধির। মঙ্গলবারই মারা যান তিনি। তারপর থেকেই মেডিক্যাল ওয়ার্ডে পড়ে দেহ। স্বাভাবিকভাবেই এমন ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। টুইটারে তিনি লেখেন, “শিবপুরের জেলা হাসপাতালে মৃত রোগীর শরীরে ঘুরে বেড়াচ্ছে পিঁপড়ে। এ ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিহারে ক্রমশ মহামারির আকার নিচ্ছে ডেঙ্গু, পাটনাতেই আক্রান্ত দেড় হাজার]

dead

Advertisement

[আরও পড়ুন: সাভারকরকে ভারতরত্ন দেওয়ার প্রস্তাব, বিতর্কে মহারাষ্ট্র বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহার]

যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার সকালেই হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন বালাচন্দ্র। ভরতি হওয়ার ঘণ্টা পাঁচেকের মধ্যে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। অভিযোগ, ওই ওয়ার্ডের অন্যান্যরা মৃতদেহটি নিয়ে যাওয়ার আরজি জানালেও হাসপাতালের কর্মীরা তাতে কর্ণপাত করেননি। ফলে সেখানেই পড়ে থাকে বালাচন্দ্রের দেহ। এমনকী এদিন সকাল ১০টা নাগাদ এক চিকিৎসক ওই ওয়ার্ডে এসে বাকি রোগীদের দেখেও যান। কিন্তু মৃতদেহ সরানো নিয়ে কোনও উদ্যোগ নেননি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ছবিটি ভাইরাল হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে, মৃতের স্ত্রী রামশ্রী লোধি স্বামীর দেহ থেকে পিঁপড়ে সরাচ্ছেন। এমন ছবি মানব সমাজের জন্য অত্যন্ত লজ্জার। প্রত্যেকেই এর তীব্র নিন্দা করেছেন। সেই সঙ্গে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.