৩৬টি ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার চিকিৎসক দম্পতি!

ঘটনায় কোনও চক্র জড়িত কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১২:৫২

options
link
৩৬টি ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার চিকিৎসক দম্পতি!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে বেআইনিভাবে গর্ভপাত ও ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার এক চিকিৎসক দম্পতি। ওই চিকিৎসক দম্পতির বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে গর্ভপাত ও প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তেজস গান্ধী ও তাঁর স্ত্রী প্রিয়াকে সোমবার পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পুলিশের দাবি, গত ১৮ মাসে বেআইনিভাবে ৩৬টি ভ্রুণ হত্যা করেছেন ওই চিকিৎসক দম্পতি। এই ঘটনায় কোনও চক্র জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

[রাম রহিমকে ‘নির্দোষ’ প্রমাণে চাপ দেওয়া হচ্ছিল, কবুল প্রাক্তন সিবিআই কর্তার]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মহারাষ্ট্রে শোলাপুর জেলার অকলুজ শহরে একটি প্রসূতি হাসপাতাল চালান চিকিৎসক দম্পতি তেজস গান্ধী ও তাঁর প্রিয়া। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ। সেই হাসপাতালেই বেআইনিভাবে ৩৬ জন মহিলার গর্ভপাত করিয়েছেন তাঁরা। পাঁচটি ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণের পরীক্ষাও করা হয়েছে। চলতি মাসে ওই চিকিৎসক দম্পতির বিরুদ্ধে সাতারা জেলার সিভিল সার্জন শ্রীকান্ত ভইয়ের কাছে অভিযোগ জানান স্থানীয় সমাজকর্মী বর্ষা দেশপাণ্ডে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য শোলাপুরের সিভিল সার্জন মল্লিকার্জুন পাট্টানশেট্টিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ২৪ আগস্ট তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই চিকিৎসক দম্পতির প্রসূতি হাসপাতালে তল্লাশি চালায় পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় তেজস গান্ধী ও তার স্ত্রী প্রিয়াকে। স্থানীয় থানার পুলিশ আধিকারিক অরুণ সাওয়ান্ত জানিয়েছেন, কীভাবে ভ্রুণগুলিকে নষ্ট করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে কোনও চক্র জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বস্তুত, শোলাপুরের সমস্ত প্রসূতি হাসপাতালে তল্লাশি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত তেজস গান্ধীর বাবা প্রদীপ গান্ধীও পেশায়  চিকিৎসক । তবে এবারই প্রথম নয়, এর আগেও অভিযুক্ত  তেজস গান্ধীর বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে গর্ভপাতের অভিযোগ উঠেছিল।

Advertisement

[পাক জঙ্গিদের নৃশংসতম হানা কাশ্মীরে, শহিদ ৮ সেনা-পুলিশকর্মী]

গত মার্চ মাসে মহারাষ্ট্রে সাংলি জেলায় বেআইনিভাবে গর্ভপাতের অভিযোগে এক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। ওই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের ক্নিনিক লাগোয়া একটি নালা থেকে উদ্ধার হয়েছিল ১৯টি মৃত ভ্রুণ। এমনিতেই গত কয়েক বছর ধরে মহারাষ্ট্রে লিঙ্গ অনুপাতের ভারসাম্য ঠিক থাকছে না। উদ্বেগজনকভাবে কমছে সদ্যোজাত কন্যাসন্তানের সংখ্যা। এই প্রেক্ষাপটে বেআইনি গর্ভপাত ও ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণের মতো ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে প্রশাসনের।

[নবীন পট্টনায়কের টুইটার ফলোয়ারের অধিকাংশই ‘জাল’, বিস্ফোরক দাবি বিজেপির]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.