Amit Shah

‘৩১ মার্চের মধ্যেই মাওবাদী মুক্ত হবে ভারত’, প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে চরম আঘাতের প্রস্তুতি শাহের!

শনিবার গুয়াহাটিতে সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মাওবাদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তাবাহিনীর সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন অমিত শাহ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ২২:০৮

options
link
‘৩১ মার্চের মধ্যেই মাওবাদী মুক্ত হবে ভারত’, প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে চরম আঘাতের প্রস্তুতি শাহের!
মাওবাদীমুক্ত ভারতের প্রতিশ্রুতি স্মরণ করালেন অমিত শাহ।

‘লাল সন্ত্রাস’কে দেশ থেকে নির্মূল করতে ৩১ মার্চের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই সময়সীমা থেকে একচুলও নড়ছে না কেন্দ্র। শনিবার অসমে সিআরপিএফের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সে কথা স্পষ্ট করে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানিয়ে দিলেন, ওই ডেডলাইনের মধ্যেই দেশ থেকে মাওবাদকে সম্পূর্ণ নিকেশ করা হবে।

Advertisement

শনিবার গুয়াহাটিতে সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মাওবাদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তাবাহিনীর সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, “দেশের ১২টি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নিজেদের কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছিল মাওবাদীরা। আমরা এই মাওবাদকে সম্পূর্ণ নিকেশ করার কথা বলেছিলাম। অবশ্যই এই কাজ সহজ ছিল না। মাত্র ৩ বছরের মধ্যে আমরা যে এত বড় কাজ শেষ করতে পারব সত্যিই এটা কল্পনা করতে পারিনি। আমি নিরাপত্তাবাহিনীর কাজের নিরিখেই বলতে পারি, ৩১ মার্চের মধ্যেই আমরা দেশ থেকে মাওবাদকে সম্পূর্ণ নির্মূল করে দেব।” পরিকল্পিত সফল অভিযান চালানোর জন্য সিআরপিএফ ও কোবরা বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসাও করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। লাল সন্ত্রাসকে পুরোপুরি নির্মূল করতে অভিযান আরও তীব্র হবে বলে বার্তা দেন অমিত শাহ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অমিত শাহ বলেন, “মাত্র ৩ বছরের মধ্যে আমরা যে এত বড় কাজ শেষ করতে পারব সত্যিই এটা কল্পনা করতে পারিনি। আমি নিরাপত্তাবাহিনীর কাজের নিরিখেই বলতে পারি, ৩১ মার্চের মধ্যেই আমরা দেশ থেকে মাওবাদকে সম্পূর্ণ নির্মূল করে দেব।”

এদিনের ভাষণে গত বছর ছত্তিশগড়ে ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্ট’-এর কথাও স্মরণ করান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই অভিযানেই মৃত্যু হয়েছিল শীর্ষ মাওবাদী নেতা নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজু-সহ ২৭ জনের। এরপর থেকে দেশের নানা প্রান্তে একাধিক শীর্ষ মাও-নেতার মৃত্যু হয়েছে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে। অমিত শাহের দাবি, এই মাও-বিরোধী অভিযানে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে সিআরপিএফ।

Advertisement

উল্লেখ্য, গত কয়েকমাসে মাও-বিরোধী অভিযানের দিকে যদি নজর রাখা যায়, তবে দেখা যাবে নিরপত্তারক্ষীদের লাগাতার অভিযানে পিছু হটেছে মাওবাদীরা। ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা-সহ দেশের মাও অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে হাজার হাজার মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন। যারা অস্ত্র ছাড়েননি নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদের। তবে শুধু মাওবাদীদের মৃত্যু নয়, মাওবাদীদের পালটা জবাবে এখনও পর্যন্ত ৫৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.