৩১ বছরের যুবরাজ সিং মনচন্দর পরিবার থানায় নিখোঁজ ডায়রি করেছিল তাঁর নামে। এরপরই মেসেজ আসতে থাকে পরিবারের সদস্যদের ফোনে। অথচ ততক্ষণে মারাই গিয়েছেন ওই যুবক! আসলে তাঁর পরিবারকে রাখতেই এমন ‘কৌশল’ অভিযুক্তদের! দিল্লির এক হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে পুলিশ এই দাবি করেছে।
আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর যুবরাজ সিং মনচন্দর বোনের সঙ্গে কেনাকাটি করতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি দেখা করতে যান তাঁর প্রাক্তন সহকর্মীর সঙ্গে। এরপর আর ফিরে আসেননি তিনি। সারা রাত তিনি ফিরে আসেননি। পরদিনই ফের থানায় নিখোঁজ ডায়রি করে পরিবার। এদিকে দেখা যায়, যুবরাজের ফোন থেকে মেসেজ আসছে! ৮ তারিখ পর্যন্ত মেসেজ আসে। তারপর তা বন্ধ হয়ে যায়। আসলে ওই সময় পর্যন্ত অভিযুক্তরা দেহটি কোথাও ফেলে আলতে পারছিল না বলেই আশঙ্কা করা হয়। গাড়ির ভিতরে সেটা রাখা হয়েছিল বলে মনে করা হয়। যাতে যুবরাজের পরিবারের কোনও সন্দেহ না হয় সেটা নিশ্চিত করতেই এই ‘চক্রান্ত’, মনে করছে পুলিশ। এরপরই দেহটি একটি নর্দমায় ফেলে দিয়ে তারা চম্পট দেয়। ১০ সেপ্টেম্বর দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
তবে দুই অভিযুক্ত পার পায়নি। যেহেতু যুবরাজের সঙ্গে শেষ ফোনে কথা হয়েছিল অভিযুক্তদেরই, তাই তাদের প্রতিই সন্দেহ গাঢ় হতে থাকে। ক্রমে ফোন কিংবা সিসিটিভির মতো নানা সূত্র ব্যবহার করে তাদের গ্রেপ্তার করেছেন তদন্তকারীরা। তারা উত্তরাখণ্ডের এক গেস্ট হাউসে উঠেছিল।
কিন্তু কেন খুন হতে হল ওই যুবককে? মনে করা হচ্ছে রয়াল এস্টেটের কর্মী যুবরাজ আগে যেখানে ছিলে সেখানেই অন্যতম অভিযুক্ত বৎসের সঙ্গে তাঁর কোনও একটা লেনদেন নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। আর সেই কারণেই সঙ্গিনীর সঙ্গে মিলে যুবরাজকে খুনের ছক কষে সে। এমনটাই ধারণা। এদিকে এখনও হাতে আসেনি যুবরাজের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। যা হাতে এলেই কিন্তু এই বিষয়ে আরও নতুন তথ্য হাতে আসবে বলে আশাবাদী পুলিশ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মানুষ-বন্যপ্রাণ সহাবস্থানেই বাজিমাত! জঙ্গলমহলের প্রথম অভয়ারণ্য হচ্ছে পুরুলিয়ায়
-
বাড়ির থেকে ৪০০ মিটার দূরেই মৃত্যুফাঁদ! বিশ্বকর্মা পুজো থেকে ফেরার পথে বাইক দুর্ঘটনায় মৃত যুবক
-
প্রতীক নিয়ে জটিলতা হুমায়ুনের দলেও! রেজিনগরে বিধায়কপুত্রের ‘বাঁশি’ চিহ্নে লড়াই নিয়ে চরমে অনিশ্চয়তা
-
জোড়াফুলের শ্রাদ্ধ! তৃণমূলের প্রতীক ‘মৃত্যু’তে পুরোহিত ডেকে অভিনব কর্মসূচি বিজেপির
-
নন্দীগ্রামের পর রেজিনগর! মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন মমতার ‘শেষ সৈনিক’ রবিউলও? জল্পনা তুঙ্গে