Mosque donates land for temple pathway

কেরলে সম্প্রীতির নজির, মন্দিরের রাস্তার জন্য মসজিদের জমি দান করলেন মুসলিমরা

এটাই আসল ভারত, বলছেন নেটিজেনরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২০, ১৫:৩৯

options
link
কেরলে সম্প্রীতির নজির, মন্দিরের রাস্তার জন্য মসজিদের জমি দান করলেন মুসলিমরা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বিষবাষ্প সবার দমবন্ধ করে দিচ্ছে। ফ্রান্স থেকে ভিয়েনা, নৃংশস জঙ্গিদের বর্বরতার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ঠিক সেই সময়েই মন্দিরের রাস্তার জন্য মসজিদের জমি দান করে সম্প্রীতির নয়া নজির গড়লেন কেরলের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। ঘটনাটি ঘটেছে কেরল (Kerala) কোনদোত্তি এলাকার কাছে।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেরলের কোনদোত্তি এলাকার কাছে মুথুভাল্লুর পঞ্চায়েত (Muthuvallur panchayat) -এর অধীনস্থ একটি পাহাড়ি এলাকায় দেবী ভগবতীর মন্দির রয়েছে। তার পাশে রয়েছে কোচিক্কোডান মোচিথাদাম নামে একটি কলোনিও। গত ৪০ বছর ধরে সেভাবে কোনও রাস্তা না থাকায় মন্দিরের দর্শনার্থীদের পাশাপাশি ওই গ্রামের বাসিন্দাদেরও অনেক সমস্যা পোয়াতে হত। কিছুদিন আগে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও মোচিথাদাম কলোনির বাসিন্দারা স্থানীয় পারাথাক্কাড জুমা মসজিদ (Parathakkad Juma Masjid) কমিটির কাছে মন্দিরে যাওয়ার রাস্তা তৈরির জন্য কিছুটা জমি চান।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিহারে মাঝগঙ্গায় শতাধিক যাত্রী-সহ উলটে গেল নৌকা! নিখোঁজ বহু, এলাকায় চাঞ্চল্য]

তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মসজিদ কমিটির সদস্যরা। শুধু তাই নয়, পঞ্চায়েতের কাছে থেকে রাস্তাটি কংক্রিটের করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও আদায় করে। সম্প্রতি পঞ্চায়েতের তরফে ১১৫ মিটারের ওই রাস্তাটি তৈরি করে জনসাধারণের ব্যবহারে জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ভগবতী মন্দিরের ভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

Advertisement

এপ্রসঙ্গে পারাথাক্কাড জুমা মসজিদ কমিটির সম্পাদক শিহাব এদাক্কাদ জানান, পঞ্চায়েতের তরফে রাস্তাটি তৈরি করে মানুষের ব্যবহারের জন্য হস্তান্তরিত করা হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা মানুষদের মন্দিরে যেতে আর কোনও অসুবিধা হবে না।

মসজিদ কমিটির অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করে ভগবতী মন্দিরের পুরোহিত বলেন, ‘এই রাস্তা তৈরি হওয়ার ফলে প্রত্যেকটি মানুষই কোনও কষ্ট ছাড়া মন্দিরে আসতে পারবেন। তবে এটা শুধু মন্দিরের ক্ষেত্রেই আর্শীবাদ নয়। এর ফলে গ্রামের মানুষরাও অনেক উপকৃত হলেন।’

[আরও পড়ুন: ‘১০ নভেম্বর তেজস্বী যাদবের সামনে মাথা নোয়াবেন নীতীশ কুমার’, দাবি চিরাগ পাসওয়ানের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.