সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা ভোটে জিতে ক্ষমতা ধরে রাখতে খয়রাতির বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন বিহারে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। সেই নীতীশকে ‘সততা’র সার্টিফিকেট দিয়েও তীব্র কটাক্ষ করলেন ভোটকুশলী থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা প্রশান্ত কিশোর। জন সুরজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা নেতা প্রশান্তের বক্তব্য, নীতীশ হয়তো সৎ কিন্তু তাঁর মন্ত্রী এবং প্রশাসনের আধিকারিকার জনতার কোটি কোটি টাকা লুট করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বারবার বিহারের এনডিএ সরকারকে আক্রমণ করেছেন প্রশান্ত কিশোর। এবার তিনি বললেন, “আমি ব্যক্তি আক্রমণ বা অভিযোগ তোলার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। তবে গত তিন বছর ধরে রাজ্য পরিক্রমা করছি। আমরা সাধারাণত (নীতীশের দলের প্রতি) অভিযোগ এবং পালটা অভিযোগে জড়াই না। তবে বিহারের বাস্তব অবস্থা হল এমন—মানুষ বলছে, তারা আগে কখনও এত দুর্নীতি দেখেনি।” জন সুরজ পার্টি প্রধান কটাক্ষের সুরে আরও বলেন, “ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখর থেকেই দুর্নীতি শুরু হয়েছে। হতে পারে নীতীশ কুমার সৎ মানুষ, কিন্তু তাঁর মন্ত্রী এবং প্রশাসনের আধিকারিকরা জনতার কোটি কোটি টাকা লুট করছে।”
উল্লেখ্য, ব্যক্তি আক্রমণ বিশ্বাস করি না বললেও সাম্প্রতিক সময়ে প্রশান্ত কিশোর ডি-লিট ডিগ্রি নিয়ে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীকে নিশানা করেছেন। পাশাপাশি নীতীশের আরেক মন্ত্রী অশোক চৌধুরী গত তিন বছরে ২০০ কোটি টাকার জমি কিনেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন প্রশান্ত। বিষয়টি ‘সন্দেহজনক এবং অবৈধ’ বলেই ধারণা প্রাক্তন ভোটকুশলীর। তিনি বলেন, অশোক চৌধুরী প্রকাশ্যে ২০০ কোটি টাকার জমি কিনলেন। অথচ কেউ প্রশ্ন তুলল না! কেবল সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলেছে।
প্রশান্ত কিশোরের মন্তব্যের পালটা জবাব দেয়নি বিজেপি বা জেডি(ইউ)। তবে শনিবার বিজেপির তরফে মন্তব্য করা হয়, জন সুরজ দলটি আসলে জালিয়াতির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের আরও অভিযোগ, একটি গোলা-বারুদের কোম্পানির জন্য শয়ে শয়ে কোটি টাকা তোলাবাজি করছে প্রাক্তন ভোটকুশলী।
সর্বশেষ খবর
-
এবার বোমার আওয়াজে কাঁপল ভাটপাড়ার ‘শান্ত’ এলাকা, দাপাদাপি তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের!
-
ইউরোপজুড়ে ভয়ংকর তাপপ্রবাহ! ফ্রান্সে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পার, স্পেনে মৃত অন্তত ২০০
-
‘জাস্টিস ফর তামান্না, কথা রেখেছি’, ধৃতদের নামের তালিকা প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
-
নকশায় ঠিক কী গলদ? পুলিশের অনুরোধে তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাদবপুরের বিশেষজ্ঞ দল
-
এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হচ্ছেন রাঘব, ‘রাম’? লড়াইয়ে বাংলার লিয়েন্ডারও