One nation one election

২০৩৪-এ কার্যকর এক দেশ-এক ভোট! কত খরচ বাঁচবে সরকারের? হিসাব দিল যৌথ সংসদীয় কমিটি

২০২৯ সালে নয়, ২০৩৪ সালে কার্যকর হবে এক দেশ-এক ভোট! কেন্দ্রের পরিকল্পনার কথা স্পষ্ট করলেন যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রধান পি পি চৌধুরী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৬, ১৯:০৮

options
link
২০৩৪-এ কার্যকর এক দেশ-এক ভোট! কত খরচ বাঁচবে সরকারের? হিসাব দিল যৌথ সংসদীয় কমিটি
এক দেশ এক ভোটে বাঁচবে ৭ লক্ষ কোটি।

২০২৯ সালে নয়, ২০৩৪ সালে কার্যকর হবে এক দেশ-এক ভোট! কেন্দ্রের পরিকল্পনার কথা স্পষ্ট করলেন যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রধান পি পি চৌধুরী। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, ওই মেগা পরিকল্পনা কার্যকর হলে কেন্দ্র সরকারের ৭ লক্ষ কোটি টাকা পর্যন্ত বেঁচে যেতে পারে।

Advertisement

‘এক দেশ, এক ভোট’ বিলটি বর্তমানে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে। ওই কমিটি দেশের প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এবং বিশিষ্টদের মতামত নিচ্ছে। কমিটির মাথায় বিজেপি সাংসদ পি পি চৌধুরী। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ২০৩৪ সালের আগে এক দেশ-এক ভোট নীতি কার্যকর হওয়া সম্ভব নয়। ২০২৯ লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে রাজ্যে যাবে সংসদীয় কমিটি। তারপর সংসদে আইন পাশ করিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করা হবে। পুরো বিষয়টি বেশ সময়সাপেক্ষ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০৩৪ সালের আগে এক দেশ-এক ভোট নীতি কার্যকর হওয়া সম্ভব নয়। ২০২৯ লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে রাজ্যে যাবে সংসদীয় কমিটি। তারপর সংসদে আইন পাশ করিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করা হবে।

আগামী লোকসভা নির্বাচন হবে ২০২৯ সালে। সংসদের নিম্নকক্ষে নতুন নির্বাচিত সরকারের মেয়াদ হবে পরবর্তী ৫ বছর অর্থাৎ ২০৩৪ সাল পর্যন্ত। ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিলটি পাস হলেও ততদিন পর্যন্ত আইন কার্যকর হতে পারবে না। ২০৩৪ সালের প্রথমার্ধে একসঙ্গে লোকসভা-বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। পরবর্তীতে পুরসভা-পঞ্চায়েত নির্বাচনকেও এর আওতায় আনা হবে। জানা যাচ্ছে, ১২৯তম সংশোধনীর মাধ্যমে একসঙ্গে সমস্ত নির্বাচন করাতে তৎপর কেন্দ্র সরকার। আর এই সংশোধনীতেই আপত্তি বিরোধীদের। তাঁদের অভিযোগ, এই সংশোধনী যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী। যদি, ২০৩৪ সালে ‘এক দেশ এক ভোট’ চালু করা যায়, সে ক্ষেত্রে ২০২৯ সালের পরবর্তীকে যে কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে, তার মেয়াদ কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Advertisement

কেন্দ্রের দাবি, দেশের আর্থিক ক্ষতি রুখতে এবং উন্নয়নের গতিতে ‘স্পিড ব্রেকার’ রুখে দিতে এক দেশ এক ভোট জরুরি। এতে সরকারি কোষাগারের বিপুল অর্থ সাশ্রয়ও হবে। সংসদীয় কমিটির প্রধান পিপি চৌধুরী বলছেন, নির্বাচন পরিচালনার খরচ দিন দিন বাড়ছে। ২০১৪ সালে সারা দেশে ভোট পরিচালনার জন্য বরাদ্দ ছিল ১৮ লক্ষ কোটি টাকা। সেটাই ২০২৬ সালে বেড়ে হয়েছে ৫৫ লক্ষ কোটি টাকা। এক দেশ-এক ভোট চালু হলে এই খরচটা ৭ লক্ষ কোটি পর্যন্ত বাঁচানো যেতে পারে। পালটা প্রশ্ন হল, এই প্রক্রিয়া কার্যকর করতে গেলে অতিরিক্ত ইভিএম এবং নিরাপত্তারক্ষীরও প্রয়োজন হবে। সেই খরচ তো বাড়তে পারে। সেই হিসাব অবশ্য এখনও সঠিকভাবে দিতে পারছেন না পিপি চৌধুরী। তিনি বলছেন, লজিস্টিক্যালি কী কী খরচ হবে, সেটার হিসাবে নির্বাচন কমিশনই করতে পারবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন