Oracle

মানুষের ‘পেটে লাথি’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার! এক বছরে ২১ হাজার ছাঁটাই ওরাকেলের

সংস্থার তরফেও জানানো হয়েছে, 'বর্তমানে এআই প্রযুক্তি গ্রহণের জেরে সংস্থায় কর্মী ছাঁটাই চলছে। আগামী দিনেও তা অব্যাহত থাকবে।'

Advertisement ad
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ১৪:৪৬

options
link
মানুষের ‘পেটে লাথি’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার! এক বছরে ২১ হাজার ছাঁটাই ওরাকেলের zoom
এক বছরে ২১ হাজার ছাঁটাই ওরাকেলের।

মানুষের চাকরি খাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। খাতা-কলমের হিসেবের এবার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে একের পর এক সংস্থায়। রিপোর্ট বলছে, গত ১২ মাসে বেসরকারি সংস্থা ওরাকেল (Oracle)-এ চাকরি গিয়েছে ২১ হাজার কর্মীর। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, যে সব কর্মীদের ছাঁটাই করা হয়েছে তাঁদের কাজ এখন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা সম্পন্ন হবে।

গত ৩১ মে সংস্থার এক রিপোর্ট সামনে এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে, সংস্থার ‘ফুল টাইম’ কর্মীর সংখ্যা আগে যেখানে ছিল ১ লক্ষ ৬২ হাজার সেটাই ১২ মাসের ব্যবধানে কমে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৪১ হাজারে। কর্মী ছাঁটাইয়ের পর সেই শূন্যস্থানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের জেরে সংস্থার মোট খরচ পড়েছে ১.৮ বিলিয়ন ডলার। ব্লুমবার্গের এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বর্তমানে ওরাকেল OpenAI-এর গ্রাহকদের জন্য এআই ডাটা সেন্টার তৈরি করতে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে শুরু করেছে। যার জেরে খরচ কমাতে কর্মী ছাঁটাই করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দিকে ঝুঁকেছে সংস্থাটি। সংস্থার তরফেও জানানো হয়েছে, ‘বর্তমানে এআই প্রযুক্তি গ্রহণের জেরে সংস্থায় কর্মী ছাঁটাই চলছে। আগামী দিনেও তা অব্যাহত থাকবে।’

কর্মী ছাঁটাইয়ের পর সেই শূন্যস্থানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের জেরে সংস্থার মোট খরচ পড়েছে ১.৮ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে সেরনার (Cerner) নামে এক সংস্থাকে অধিগ্রহণ করেছিল ওরাকেল। ২৮ বিলিয়ন ডলারের সেই অধিগ্রনের জেরে ওই বছর বিপুল পরিমাণ নিয়োগ হয়েছিল সংস্থায়। তবে রিপোর্ট বলছে, অধিগ্রহণের সময় সংস্থার যত সংখ্যক কর্মী ছিলেন এখন সংখ্যাটা তার চেয়েও কমে গিয়েছে। এই ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই ঘটনা যে ঘটতে পারে সে আভাস বহু আগেই দিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জেরে সবচেয়ে গুরুতরভাবে প্রভাবিত হচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের কর্মীরা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা জানান, তথ্যপ্রযুক্তি এবং এমবিএ-দের যুগ শেষ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে টিসিএস এবং ইনফোসিসের মতো ভারতের প্রধান তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলো নতুন বরাত পেতে হিমশিম খাচ্ছে। সংস্থাগুলির শেয়ার বাজারের পারফরম্যান্সের রিপোর্টে এই ছবিটা স্পষ্টভাবে নজরে পড়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন