COVID Vaccine

‘মাঝে মাঝে সমালোচকদের মিস করি’, সমালোচনা প্রসঙ্গে অকপট প্রধানমন্ত্রী

দেশে টিকাকরণের হার নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন মোদি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০২১, ১৬:১৩

options
link
‘মাঝে মাঝে সমালোচকদের মিস করি’, সমালোচনা প্রসঙ্গে অকপট প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি সমালোচকদের অপরিসীম গুরুত্ব দেন। সম্মানও করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে তাঁর সমালোচকের সংখ্যা নেহাতই কম। সমালোচকদের উদ্দেশে মতামত দিতে গিয়ে এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই সঙ্গে দেশে টিকাকরণের হার নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তিনি।

Advertisement

‘ওপেন ম্যাগাজিন’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ”যদি আমাদের দেশে টিকাকরণ (Vaccination) শুরু না হত তাহলে কী হত ভেবে দেখুন পরিস্থিতি কী দাঁড়াত? বিশ্বে এখনও বহু দেশই কোভিড টিকা হাতে পায়নি। অথচ ভারত আত্মনির্ভর হয়েছে বলেই আমরা টিকাকরণে এই সাফল্য পেয়েছি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘গডসে জিন্দাবাদ’ বলা মানে নির্লজ্জভাবে দেশকে অপমান করা, গর্জে উঠলেন বিজেপির বরুণ গান্ধী]

আর এই প্রসঙ্গেই তাঁর মুখে উঠে আসে সমালোচনা প্রসঙ্গ। তাঁর কথায়, ”আমি সৎ মনেই বলছি, আমি সমালোচকদের সম্মান করি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সমালোচকদের সংখ্যা নেহাতই কম। অধিকাংশ মানুষ কেবল অভিযোগই করেন। আসলে সমালোচনা করতে হলে কঠোর পরিশ্রম ও গবেষণা করতে হয়। পৃথিবী আজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে বলেই হয়তো মানুষ আর সময় পাচ্ছে না। তাই মাঝে মাঝে আমি সমালোচকদের মিস করি।”

Advertisement

ভারতের টিকাকরণের সাফল্যের পিছনে গবেষণার গুরুত্বের কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ”কয়েক বছর আগে আমি বিজ্ঞান সম্মেলনে বলেছিলাম, সময় এসেছে ‘জয় জওয়ান, জয় কিষান, জয় বিজ্ঞান’ মন্ত্র থেকে সরে এসে আমাদের ‘জয় জওয়ান, জয় কিষান, জয় বিজ্ঞান, জয় অনুসন্ধান’ মন্ত্র মেনে চলতে হবে।” মোদির দাবি, ২০২০ সালের মে মাসে যখন করোনার কোনও টিকাই আসেনি, তখন থেকেই দেশে কীভাবে টিকাকরণ করা হবে তার নীল নকশা বানিয়ে ফেলেছিল দেশ।

[আরও পড়ুন: ভারতকে না জানিয়েই দোহায় তালিবানের সঙ্গে চুক্তি আমেরিকার, তোপ জয়শংকরের]

উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত দেশে ৬৯ শতাংশ মানুষ টিকার অন্তত একটি ডোজ পেয়েছেন। ২৫ শতাংশ মানুষ দু’টি ডোজ পেয়ে গিয়েছেন। ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের অধিকাংশ মানুষ যাতে টিকার একটি করে হলেও ডোজ অন্তত পেয়ে যান, সেদিকেই লক্ষ্য রেখেছে প্রশাসন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন