PM Modi

‘ব্যবসা সরকারের কাজ নয়’, ১০০টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণের পক্ষে সওয়াল মোদির

শিল্পসংস্থাগুলির পাশে দাঁড়ানো সরকারের দায়িত্ব, বলছেন মোদি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১, ০৯:১৯

options
link
‘ব্যবসা সরকারের কাজ নয়’, ১০০টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণের পক্ষে সওয়াল মোদির

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চার রাজ্যে ভোটের মুখে বেসরকারিকরণের পক্ষে সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সাফ জানিয়ে দিলেন, ”ব্যবসা করা সরকারের কাজ নয়।” একই সঙ্গে অন্তত ১০০টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ ও বিলগ্নীকরণের পক্ষে জোরদার সওয়ালও করেছেন তিনি। বুধবার ডিপার্টমেন্ট অফ ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড পাবলিক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট আয়োজিত ওয়েবিনারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের দায়িত্ব হল দেশের শিল্পসংস্থাগুলির পাশে দাঁড়ানো, তাদের সাহায্য করা। কিন্তু কোনও শিল্পসংস্থার মালিক হওয়া বা ব্যবসা করা সরকারের কাজ নয়।” তিনি আরও বলেন, “একটা সময় ছিল যখন বিভিন্ন প্রয়োজনে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে গুরুত্ব দেওয়া উচিত সরকারের।”

Advertisement

২০২১-’২২-এর বাজেট নিয়ে মোদি বলেন, সরকার স্পষ্ট দিশা দেখিয়েছে কীভাবে উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশকে এগোতে হবে। যে সমস্ত নীতি ৫০-৬০ বছর আগে ভাল বলে মনে হত, সেগুলির সংস্কারের সুযোগ রয়েছে সর্বদাই। এখন যে সংস্কারের পথে সরকার চলছে, তাতে জনগণের টাকা সবচেয়ে ভালভাবে ব্যবহার করাই লক্ষ্য হওয়া উচিত। বহুদিন ধরে কোনও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা চলছে বলেই তাদের চালানোর মানে নেই। জনগণের, সমাজের উন্নতির লক্ষ্য হওয়া উচিত। ব্যবসা চালাতে গিয়ে অনেক দক্ষ আধিকারিকের ক্ষমতার অপব্যবহার হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ভোটের মুখে মাস্টারস্ট্রোক! পেট্রল-ডিজেলকে জিএসটির আওতায় আনার প্রস্তাব কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর]

প্রধানমন্ত্রীর ইঙ্গিত, চারটি কৌশলগত ক্ষেত্র ছাড়া দেশের প্রায় সমস্ত সরকারি ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ করতে চায় সরকার। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই ধরনের ১০০টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ করে ২.৫ লক্ষ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে কেন্দ্র। তাঁর কথায়, “আমাদের উদ্দেশ্য, এভাবে অর্থের সংস্থান করা। তারপর আধুনিকীকরণ করা। বেসরকারি ক্ষেত্র আধুনিক প্রযুক্তি, পরিচালনায় নয়া মানসিকতা ও দক্ষ কর্মী তৈরি করবে। গোটা ব্যবস্থা আরও দক্ষ হয়ে উঠবে।” এভাবে সংগৃহীত অর্থ গ্রামীণ পরিকাঠামো, জীবাণুমুক্ত পানীয় জল সরবরাহ ও সস্তায় বাড়ি তৈরির কাজে লাগবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: গোপন অপারেশনে সাফল্য, গণধর্ষণের ২২ বছর পরে পুলিশের জালে ওড়িশার অভিযুক্ত]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.