প্রণব মুখোপাধ্যায়ের

এখনও গভীর কোমায় আচ্ছন্ন প্রণব মুখোপাধ্যায়, তবে অবস্থার অবনতি হয়নি

অসুস্থ হওয়ার কয়েকদিন আগে কাঠাল খেতে চেয়েছিলেন বাবা, বললেন অভিজিৎ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২০, ১২:৫৬

options
link
এখনও গভীর কোমায় আচ্ছন্ন প্রণব মুখোপাধ্যায়, তবে অবস্থার অবনতি হয়নি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের (Pranab Mukherjee) শারীরিক অবস্থার আর অবনতি হয়নি। বর্তমানে তিনি স্থিতিশীল অবস্থাতেই রয়েছেন। বৃহস্পতিবার আর্মি রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেল হাসপাতালের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, “প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা স্থিতিশীল। তবে তিনি অচেতন অবস্থাতেই আছেন। বিভিন্ন প্যারামিটার স্থিতিশীল থাকলেও তিনি গভীরভাবে কোমায় আচ্ছন্ন রয়েছেন। তাঁকে ভেন্টিলেটর সহায়তায় রাখা হয়েছে।” শুক্রবারও ওই হাসপাতালের তরফে একই কথা বলা হয়েছে। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি। বিভিন্ন প্যারামিটার স্থিতিশীল থাকলেও তাঁকে ভেন্টিলেটর সহায়তায় রাখা হয়েছে।

Advertisement

রবিবার রাতে দিল্লির বাসভবনে বাখরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পান প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি। সোমবার তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। তারপরেই তাঁর মাথায় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়ে। অস্ত্রোপচারের আগে প্রোটকল অনুযায়ী তাঁর করোনা টেস্ট হয়। তাতে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে তাঁর শরীরে করোনার কোনও উপসর্গ ছিল না। এদিন চিকিৎসকরা জানান, করোনার কারণে প্রণববাবুর ফুসফুসে কোনও সমস‌্যা ধরা পড়েনি।শুক্রবার অভিজিৎ টুইটারে লেখেন, “ ৯৬ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণ আজ শেষ হচ্ছে। আমার বাবার বিভিন্ন প্যারামিটার এখনও স্থিতিশীল। তিনি চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। বাবা সবসময় বলেন, আমি এই দেশকে যতটা দিয়েছি, তার থেকে এই দেশ আমাকে অনেক বেশি কিছু দিয়েছে। দয়া করে ওঁর জন্য প্রার্থনা করবেন। ” 

Advertisement

[আরও পড়ুন: কংগ্রেসের মুখপাত্র রাজীব ত্যাগীর মৃত্যুতে মামলা বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্রর বিরুদ্ধে]

গত কয়েকদিন ধরেই প্রচার হচ্ছিল যে প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই প্রসঙ্গে তাঁর ছেলে অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় (Abhijit Mukherjee) এবং মেয়ে শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায় সব খবরকে ভুয়ো বলে উল্লেখ করেন। অভিজিৎ জানান যে তাঁর বাবার অবস্থা এখন স্থিতিশীল। অভিজিতই বলছিলেন, রবিবার বাথরুমে পড়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত প্রণববাবু একদম স্বাভাবিক ছিলেন। এমনকী দিনকয়েক আগে গ্রামের বাড়ির কাঠাল পর্যন্ত খেতে চেয়েছিলেন তিনি। জঙ্গিপুরের প্রাক্তন সাংসদ বলছিলেন, মিরাটি থেকে ২৫ কেজির কাঠাল নিয়ে তিনি দিল্লি যান। বাবা-ছেলে মিলে সেই কাঠাল খেয়েও ছিলেন। তবে, তাতে প্রণববাবুর শুগার লেভেল খুব একটা বাড়েনি। তারপরই প্রণববাবুর হঠাত এই অসুস্থতা অভিজিতকে হতভম্ব করে দিয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.