Pune Lohagad Fort Case

সিয়ার আইনজীবী নিয়ে বিভ্রান্তি, ভাই সাহিলের বিরুদ্ধে ১০ কোটির মামলা, পুণে হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়

সাহিল গোয়েলের অভিযোগ উড়িয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করলেন অ্যাডভোকেট আশুতোষ শ্রীবাস্তব।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ১৮:৩৬

options
link
সিয়ার আইনজীবী নিয়ে বিভ্রান্তি, ভাই সাহিলের বিরুদ্ধে ১০ কোটির মামলা, পুণে হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়
ছবি: সংগৃহীত।

পুণের লোহগড় দুর্গে হত্যা মামলায় (Pune Lohagad Fort Case) নয়া মোড়। এবার মূল অভিযুক্ত সিয়া গোয়েলের আইনজীবী নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিল। প্রশ্ন উঠছে, সিয়ার আইনজীবী কে? আশুতোষ শ্রীবাস্তব না বিপুল দুশিং? সিয়ার ভাই জানিয়েছেন, আশুতোষকে তাঁরা নিয়োগ করেননি। এমনকী ওই আইনজীবী সিয়াকে না জানিয়ে বেশ কিছু নথিতে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। সাহিল গোয়েলের এই অভিযোগ উড়িয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করলেন আশুতোষ।

Advertisement

সিয়ার ভাই সাহিল সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে জানান, আশুতোষ তাঁদের আইনজীবী নন। বরং কেতন বিশাল অগরওয়াল হত্যা মামলায় তাঁরা বিপুল দুশিংকে আইনজীবী হিসাবে নিয়োগ করেছেন। আরও দাবি করেন, সিয়াকে না জানিয়ে আশুতোষ বেশ কিছু ওকালতনামায় সই করিয়ে নিয়েছেন। এই বক্তব্যে বেজায় চটেছেন আশুতোষ শ্রীবাস্তব। তিনি সাহিল গোয়েলকে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলার নোটিস পাঠিয়েছেন।

Advertisement

আশুতোষ দাবি করেছেন, সিয়ার অনুমতিতেই মামলা লড়ছেন। আরও বলেছেন, ওকালতনামায় স্বাক্ষর করানো হয়েছে সিয়ার ভালোর জন্য। সাহিলের বিরুদ্ধে আইনি নোটিসে আশুতোষ আরও লিখেছেন, সাহিলের বক্তব্য “মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মানহানিকর এবং বিভ্রান্তিকর”। অভিযোগ করেছেন, সাহিলের বক্তব্যের জেরে তাঁর পেশাগত সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। নোটিসে দাবি জানানো হয়েছে, সাহিল যেন তাঁর অভিযোগ অবিলম্বে প্রত্যাহার করেন, প্রকাশ্যে ক্ষমা চান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের মন্তব্য আর না করার বিষয়ে লিখিত নিশ্চয়তা প্রদান করেন। নচেতে মানহানির মামলয় ১০ কোটি টাকা চোকাতে হবে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, পুণের লোহাগড় দুর্গে প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটে হবু স্বামী কেতনকে খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। ফেব্রুয়ারিতে বাগদান সেরেছিলেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতনের সঙ্গে সিয়ার বিয়ের কথা ছিল। কিন্তু প্রাথমিকভাবে মত দিলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। সেকথা হবু স্বামীকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু সিয়ার দাবি, পরিবারের এতটাই চাপ ছিল যে বিয়ে বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। তাই কেতনকে হত্যা করার পথ বেছে নেন। প্রায় একমাস ধরে পরিকল্পনা করে কেতনকে হত্যা করা হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.