Sheikh Hasina

‘দেশে ফিরছি ডিসেম্বরেই, জনতার কল্যাণে কারাবাসের মূল্য দিতেও রাজি’, হুঙ্কার হাসিনার

'প্রশ্ন এটা নয় যে আমি ফিরব কি না, বরং প্রশ্ন হল— কীভাবে ফিরব, যাতে আমাদের জাতি ও নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষা হবে।' মন্তব্য মুজিবকন্যার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ২০:৩৩

options
link
‘দেশে ফিরছি ডিসেম্বরেই, জনতার কল্যাণে কারাবাসের মূল্য দিতেও রাজি’, হুঙ্কার হাসিনার
ফাইল চিত্র।

আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার কথা ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর ফিরে আসার কথা ঘোষণায় ঝিমিয়ে পড়া আওয়ামি লিগ ফের চাঙ্গা হয়ে উঠছে। রাজধানী ঢাকা-সহ পদ্মাপাড়ের বহু জায়গায় প্রকাশ্য মিছিল শুরু করেছে আওয়ামি সমর্থকরা। এই অবস্থায় নিজের সিদ্ধান্তে অটল মুজিবকন্যা। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি জানালেন, মানুষের কল্যাণের স্বার্থে আমাকে দেশে ফিরতেই হবে। কিন্তু কীভাবে তা সম্ভব হবে, সেটাই এখন প্রশ্ন।

Advertisement

সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে হাসিনা বলেন, “আমি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আমার মাতৃভূমিতে ফিরে আসার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছি। দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে দেশে ফেরার অধিকার আমার রয়েছে। বাংলাদেশের কোনও আইনই ন্যায়সঙ্গতভাবে আমাকে তা করতে বাধা দিতে পারে না।” হাসিনার দাবি, আইন মেনে ও শান্তিপূর্ণভাবেই দেশে ফিরতে চান তিনি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ আমি প্রকাশ্যে ও দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছি— আমার মাতৃভূমি ও আমার জনগণের কাছে ফিরে যেতে চাই আমি। প্রশ্নটি এটা নয় যে আমি ফিরে আসব কি না, বরং প্রশ্ন হল— কীভাবে এমনভাবে ফিরে আসা যায়, যা আমাদের জাতি ও নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষা করবে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তাঁর বাংলাদেশ ফেরা, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ড ইত্যাদি নিয়ে জল্পনা-কল্পনা অনেক দিন ধরেই চলছে। যদিও দেশে ফেরার পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশ বা ভারত সরকারের সঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে বিস্তারিত তথ্য দেননি শেখ হাসিনা। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে তাঁর অনুপস্থিততেই ২০২৫ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় মুজিবকন্যার। এই বিষয়ে তিনি বলেন, “আমার রাজনৈতিক সংগ্রাম চালিয়ে যেতে এবং বাংলাদেশের জনগণের সেবা করতে যদি কারাবাসের মতো মূল্য দিতে হয়, তবে আমি তা মেনে নিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”

Advertisement

কিন্তু মৃত্যুদণ্ড এড়াবেন কীভাবে? হাসিনার উত্তর, ওই আইনি প্রক্রিয়াকে প্রত্যাখ্যান করছি। মৃত্যুদণ্ডাদেশ ছিল “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অন্যায্য”। তিনি আরও দাবি করেন, তাঁর চলে যাওয়ার পর গঠিত সরকার ছিল “অসাংবিধানিক” এবং “প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব” নিয়ে কাজ করেছিল। ফলে ওই বিচার ও রায় ছিল “প্রহসনমূলক”, যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, “সারা জীবন আমি আইন ও ন্যায়বিচারের নীতিগুলো অবিচলভাবে সমুন্নত রেখেছি।” বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হত্যার দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, “আমার নিজের ক্ষেত্রেও আইনের অনুরূপ সুষ্ঠু প্রয়োগ প্রত্যাশা করি,” যোগ করেন, যেকোনও বিচারাধীন প্রক্রিয়ায় নিজের অধিকারের বিষয়ে “পূর্ণ আইনি সুরক্ষা দাবি করি”।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.