বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে যে এ হেন বিপর্যয় আসতে চলেছে, সেটা তৃণমূলের অনেকেই আন্দাজ করেননি। সূত্রের খবর, শাসক শিবিরের বহু নেতা নিশ্চিত ছিলেন, যে দল ক্ষমতায় ফিরবেই, আসন সংখ্যা দু’শো পেরনো নিয়েও সংশয় নেই। সেসময় লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী নাকি তাঁদের সতর্ক করেন। গত ৮ জুন ইন্ডিয়া জোটের যে বৈঠক হয়, সেখানেই রাহুল ভোটের আগের সেই কথোপকথনের কথা জানান।
আরও পড়ুন:
রাহুল ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে বলেন, “তৃণমূলে আমার বহু বন্ধু রয়েছেন। ওঁরা নিশ্চিত ছিলেন যে বাংলায় নিরঙ্কুশভাবে জিতবেন। আমি বারবার বলেছিলাম, স্বপ্নের দুনিয়ায় বাস করছেন।” লোকসভার বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, বাংলাতেও ভোটচুরি হয়েছে। এই ভোটচুরি যে হতে পারে, সেটা মানতে না পেরেই তৃণমূলের বিপর্যয়। ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমি দেখেছি কী হয়। গুজরাটে দেখেছি, মধ্যপ্রদেশে দেখেছি, ছত্তিশগড়ে দেখেছি, হরিয়ানা-মহারাষ্ট্রেও দেখেছি।”
রাহুলের দাবি, এখন পুরো সিস্টেমটাই বিজেপির দখলে। ফলে এখন শাসক এবং বিরোধী দুই শিবির সমান সুযোগ পাচ্ছে না। ফলে পুরনো সব নির্বাচনী প্রক্রিয়া এখন অচল। কিন্তু সমাজবাদী পার্টি, তৃণমূল, আরজেডির মতো দলগুলি এখনও পুরনো পন্থায় বিশ্বাস করে। তারা ভাবতেই পারে না, ভোটচুরি হয়। এখনও বহু দল সেটা বিশ্বাস করে না।
চমকপ্রদ বিষয় হল, ভোটের আগে এই রাহুল গান্ধীই তৃণমূলকে চড়া সুরে আক্রমণ করে গিয়েছেন। এমনকী দুর্নীতির প্রশ্নে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদিকে একপ্রকার একাসনে বসিয়ে গিয়েছিলেন। এখন ভোটের পর তিনিই নিজেকে তৃণমূলের ‘পরম বন্ধু’ ও ‘পরামর্শদাতা’ হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে বার্তাও দিচ্ছেন, আগামী দিনে তাঁর পরামর্শ না শুনলে এবারের বিধানসভা নির্বাচনের মতো আগামী দিনেও ভরাডুবি হতে পারে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
দুর্গার উপরে বিরাজমান মা গঙ্গা, সামশেরগঞ্জের জমিদার বাড়ির ‘বাইশ পুতুলের পুজো’র মাহাত্ম্য কী?
-
রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের ছেলের বান্ধবীকে ‘হুমকি’, নাম জড়াতেই থানায় মন্ত্রী উমেশ
-
রণবীর-আলিয়াকে বেশি তোল্লাই বনশালির, ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ নিয়ে ক্ষুব্ধ ভিকি কৌশল! ফের স্বজনপোষণ?
-
বিদেশে বসেও দেখা যাবে মহালয়ায় ইডেনের বর্ণাঢ্য শো! বাংলার পুজো হবে সত্যিই বিশ্বজনীন
-
নাছোড় বৃষ্টি! উত্তরবঙ্গে জারি হলুদ সতর্কতা, সপ্তাহান্তে ভাসবে দক্ষিণও? কী জানাল হাওয়া অফিস?