Ramdev

‘ওরা ভারতীয় সংস্কৃতি জানেই না’, বন্দে মাতরম বিতর্কে ফুঁসে উঠলেন রামদেব

সদ্য কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির তরফে প্রস্তাব পাশ করানো হয়েছে, দলীয় অনুষ্ঠানে তাঁরা বন্দে মাতরমের দু’টি স্তবকই গাইবে। গানটি সব স্তবক গাওয়া হবে না। কংগ্রেসের বক্তব্য, ১৯৩৭ সালে কলকাতায় কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু, সুভাষচন্দ্র বসু, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল-সহ একাধিক শীর্ষনেতা বন্দে মাতরমের প্রথম দু’টি স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৬, ১৭:৪৫

options
link
‘ওরা ভারতীয় সংস্কৃতি জানেই না’, বন্দে মাতরম বিতর্কে ফুঁসে উঠলেন রামদেব
যোগগুরু রামদেব। ফাইল ছবি।

কংগ্রেস সদর দপ্তরে ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে। যা ঘিরে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন যোগগুরু রামদেব। জাতীয় স্তোত্রের সমালোচকদের ‘জবাব’ দিয়ে তিনি বললেন, “ওঁরা ভারতীয় সংস্কৃতি জানেই না। পাশাপাশি, সংস্কৃত ভাষাও জানে না।”

Advertisement

রবিবার হরিয়ানায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রামদেব। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “যাঁরা বন্দে মাতরম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের উচিত প্রথমে এর সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত প্রেক্ষাপটটি বোঝা। বন্দে মাতরম-এ মাতৃভূমির কথা বলা হয়েছে। বিষয়টিকে কোনও নির্দিষ্ট হিন্দু দেব-দেবীর পুজো হিসাবে ব্যাখ্যা করা ঠিক নয়।” তিনি আরও বলেন, “অনেকেই সংস্কৃত ভাষা নিয়ে পড়াশোনা করেননি। তাঁরা মনে করেন, বন্দে মাতরম-এর মাধ্যমে হয়তো দেবী দুর্গা কিংবা কোনও মন্দিরের পুজো করা হচ্ছে।” তাঁর যুক্তি, ভারতীয়দের কাছে ‘ভারত মাতা’ এক ঐশ্বরিক ও পবিত্র সত্তা। তাই মাতৃভূমিকে কোনও নির্দিষ্ট দেব-দেবীর সঙ্গে এক করে দেখা উচিত নয়। রামদেব আরও বলেন, “ভারতমাতাকে আমাদের মন্দির, উপাসনা, কর্তব্য, লক্ষ্য, গন্তব্য ও ধর্ম হিসাবে গণ্য করা হয়।”

Advertisement

এদিকে সদ্য কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির তরফে প্রস্তাব পাশ করানো হয়েছে, দলীয় অনুষ্ঠানে তাঁরা বন্দে মাতরমের দু’টি স্তবকই গাইবে। গানটি সব স্তবক গাওয়া হবে না। কংগ্রেসের বক্তব্য, ১৯৩৭ সালে কলকাতায় কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু, সুভাষচন্দ্র বসু, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল-সহ একাধিক শীর্ষনেতা বন্দে মাতরমের প্রথম দু’টি স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই ঐতিহ্যই বজায় রাখা হবে। অন্যদিকে, বিজেপির সাফ কথা, ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে নিজেদের সাম্প্রদায়িক এজেন্ডা কার্যকর করছে কংগ্রেস। আসলে সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে মাথা নুইয়ে ফেলেছে হাত শিবির।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.