Sharjeel Imam

জামিনে মুক্ত দেশদ্রোহিতায় অভিযুক্ত শার্জিল ইমাম, ৬ বছর পর প্রথম ইদ জেলের বাইরে

একাধিক কঠিন শর্তে জামিন দেওয়া হয়েছে শার্জিলকে। এই সময়কালে শার্জিলকে মামলার কোনও সাক্ষী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ না করতে, তদন্তকারী কর্তাকে মোবাইল নম্বর দিয়ে তা সচল রাখতে এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতা বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৮:৩১

options
link
জামিনে মুক্ত দেশদ্রোহিতায় অভিযুক্ত শার্জিল ইমাম, ৬ বছর পর প্রথম ইদ জেলের বাইরে
জেলমুক্ত শার্জিল। ফাইল ছবি।

প্রায় ৬ বছর পর জেলমুক্ত শার্জিল ইমাম (Sharjeel Imam)। দিল্লির নিম্ন আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়ে জেল থেকে বের হলেন ২০২০-র দিল্লি দাঙ্গায় অন্যতম মূল অভিযুক্ত শার্জিল। ভাইয়ের বিয়েতে যোগ দিতে এবং অসুস্থ মায়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য গত ৯ মার্চ তাঁর অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে আদালত। তবে একই সঙ্গে আদালত একাধিক কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে।

Advertisement

করকরডুমা আদালতের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক সমীর বাজপেয়ী শার্জিলকে ২০ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত দশদিনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত কঠোর শর্তসাপেক্ষে ৫০,০০০ টাকার একটি ব্যক্তিগত বন্ড এবং সমপরিমাণ অর্থের দু’জন জামিনদার দাখিলের শর্তে জামিন মঞ্জুর করে। তিনি ছ’সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চেয়েছিলেন এবং উল্লেখ করেছিলেন যে, তাঁর ছোট ভাই মুজ্জাম্মিল ইমামের ২৫ মার্চ বিয়ে রয়েছে। তাঁর আইনজীবী জানান যে, বড় ভাই হিসেবে ২২ থেকে ২৮ মার্চের মধ্যে নির্ধারিত মেহেন্দি, হলদি, নিকাহ এবং রিসেপশন-সহ বিয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁকে সহায়তা ও অংশগ্রহণ করতে হবে।

Advertisement

আবেদনে তাঁর মায়ের অসুস্থতার কথাও উল্লেখ করা হয় এবং বলা হয় যে, মায়ের দেখভাল করেন ছোটভাই। কিন্তু তিনি বিয়েতে ব্যস্ত থাকায় মায়ের দায়িত্ব নিতে হবে শার্জিলকেই। যদিও তাঁর উপস্থিতি আবশ্যক নয় বলে জামিনের বিরোধিতা করে সরকারপক্ষ। এ-ও উল্লেখ করা হয়, তাঁর নিয়মিত জামিনের আর্জি এর আগে নিম্ন আদালত, হাই কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে খারিজ হয়ে গিয়েছে। মুক্তি পেলে শার্জিল সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন বলেও যুক্তি দেওয়া হয়।

Advertisement

সব পক্ষের যুক্তি শুনে আদালত দশদিনের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে। এই সময়কালে শার্জিলকে মামলার কোনও সাক্ষী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ না করতে, তদন্তকারী কর্তাকে মোবাইল নম্বর দিয়ে তা সচল রাখতে এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতা বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি শুধু পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এবং নিজের বাড়ি অথবা বিয়ের অনুষ্ঠানস্থল ছাড়া অন্য কোথাও যেতে নিষেধ করেছে আদালত। মুক্তি পাওয়ার ফলে ৬ বছর বাদে জেলের বাইরে ইদ কাটালেন শার্জিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.