Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬
Rupali Chakankar

ধর্ষকের মাথায় ছাতা ধরার জের! ইস্তফা মহারাষ্ট্রের মহিলা কমিশনের প্রধানের

৫৮ জন মহিলার সঙ্গে জ্যোতিষী বাবাজির ‘অপকীর্তি’ ধরা পড়েছে বলে দাবি পুলিশের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৩:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৩:০৬

options
link
ধর্ষকের মাথায় ছাতা ধরার জের! ইস্তফা মহারাষ্ট্রের মহিলা কমিশনের প্রধানের zoom
এই ছবি ঘিরেই বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে।

বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছিল ‘ধর্ষকে’র সঙ্গে তাঁর ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই। অবশেষে ইস্তফা দিলেন মহারাষ্ট্রের মহিলা কমিশনের প্রধান রুপালি চাকাঙ্কার (Rupali Chakankar)। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত জ্যোতিষী অশোক খারাত শ্রী ঈশানেশ্বর মহাদেব মন্দির ট্রাস্টের চেয়ারম্যান। এই ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রুপালি। যা জানাজানি হওয়ার পরই বিতর্ক বাঁধে। অবশেষে নিজের পদ ছাড়লেন রুপালি।

অশোক খারাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, জ্যোতিষচর্চার অন্তরালে তন্ত্রের ফাঁদে ফেলে একের পর এক মহিলাকে ধর্ষণের। আর সেই অভিযুক্তের সঙ্গে রাজ্যের মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল বেঁধে যায়। এর মধ্যে একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, রুপালির ছাতা ধরা রয়েছে অভিযুক্তের মাথাতে। এরপরই অভিযোগ ওঠে, ইস্তফা দিতে হবে রুপালিকে। প্রাথমিক ভাবে অবশ্য তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর সঙ্গে অশোকের খুব সামান্যই পরিচয় ছিল। পরবর্তী সময়ে তিনি দূরত্বও বজায় রাখতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু বিতর্ক জোরালো হতে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন তিনি। তবে কেবল রুপালিই নয়, বহু খ্যাতনামা রাজনীতিবিদ ও নামী ব্যক্তিত্বরাই অশোকের সংস্পর্শে এসেছেন এবং তাঁদের বাড়িতে যেতেন। সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অভিযুক্ত জ্যোতিষী অশোক খারাত শ্রী ঈশানেশ্বর মহাদেব মন্দির ট্রাস্টের চেয়ারম্যান। এই ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রুপালি। যা জানাজানি হওয়ার পরই বিতর্ক বাঁধে।

পুলিশের দাবি, ৬৭ বছরের অশোক নিজেকে অবসরপ্রাপ্ত নৌসেনা অফিসার বলে দাবি করতেন। তাই নিজেকে পরিচয় দিতেন ‘ক্যাপ্টেন’ হিসেবে। ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার দাবি জানিয়ে মহিলাদের তিনি নিজের অফিসে ডেকে আনতেন। তারপর সম্ভবত তাদের কোনও মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করতেন বলেই অভিযোগ। পাশাপাশি সবটাই রেকর্ড হয়ে যেত ঘরে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরায়। পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে একটি পেন ড্রাইভ পেয়েছে। তার ভিতরে নাকি ৫৮ জন মহিলার সঙ্গে জ্যোতিষী বাবাজির ‘অপকীর্তি’ ধরা পড়েছে। এমন একটি বিষয় সামনে আসতে অনেকেই শিউরে উঠেছেন। কংগ্রেসের তরফে মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে, পক্ষপাতহীন তদন্ত করা হোক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.