কোনও মহিলা যদি গার্হস্থ্যের কাজ যথা রান্না করতে অসমর্থ হন, তাহলে তাঁর এই আচরণকে নিষ্ঠুরতা বলা যাবে না। এক ডিভোর্সের মামলায় এমনটাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে আবেদনকারী ব্যক্তিতে ধমক দিয়ে মনে করিয়ে দিল, স্ত্রী মোটেই পরিচারিকা নন।
ওই ব্যক্তির অভিযোগ ছিল, তাঁর স্ত্রী রোজই খারাপ ভাষায় আক্রমণ করেন তাঁকে এবং তাঁর মা-বাবাকে। এবং রান্না করতেও চান না। এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি সন্দীপ মেহতা বলেন, ”আপনি কোনও পরিচারিকাকে বিয়ে করেননি। করেছেন জীবনসঙ্গীকে।” সেই সঙ্গেই তিনি মনে করিয়ে দেন, এখন সংসারে স্বামীকেও রান্না, ধোয়ামোছার মতো কাজে অংশ নিতে হয়। বিচারপতির কথায়, ”এখন সময় বদলে গিয়েছে।”
আরও পড়ুন:
এদিকে ওই ব্যক্তির স্ত্রী আদালতে দাবি করেছেন, তিনি তাঁর সন্তানের জন্ম দিতে বাবার বাড়ি গিয়েছিলেন শ্বশুরবাড়ির সম্মতি নিয়েই। কিন্তু ছেলের অন্নপ্রাশনেও অনুপস্থিত থাকেননি তাঁর স্বামী। পরে সোনা ও নগদ অর্থ পণ চাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির অভিযোগ, বিয়ের এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁর স্ত্রীর আচরণ বদলে গিয়েছিল। এবং তিনি সেই থেকেই তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা শুরু করেন। প্রসঙ্গত, ওই দম্পতি গাঁটছড়া বেঁধেছিল ২০১৭ সালে। তাদের একটি আট বছরের শিশুপুত্রও রয়েছে।
পারিবারিক আদালতে ডিভোর্সের আবেদন মঞ্জুর হয়ে গিয়েছিল। এবং সেটা ‘নিষ্ঠুরতা’র অভিযোগকে মান্যতা দিতেই। এরপর মহিলা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। সেখানে অবশ্য ডিভোর্সের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এরপর মহিলার স্বামী যান সুপ্রিম কোর্টে। প্রথমে শীর্ষ আদালত তাঁদের মধ্যে কলহ মেটানোর চেষ্টাও করেছিল। কিন্তু তাতে ফল মেলেনি। পরবর্তী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট দু’জনকেই সশরীরে উপস্থিত থাকতে বলেছে।
সর্বশেষ খবর
-
ইথানলের ধাক্কায় বাড়ছে চিনির দাম! বাজার নিয়ন্ত্রণে বড়সড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের
-
ফের জেলেই ঠাঁই, হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর শাহবাজ সরকারের নির্দেশে বন্দি জীবনে ইমরান
-
যুবভারতীতে জোড়া ধামাকা, ব্রাজিলের পর কলকাতায় খেলবে আর্জেন্টিনাকে ‘বেগ দেওয়া’ কেপ ভার্দে!
-
‘হিন্দু-মুসলিম ভেদাভেদ ভুলে…’, ‘বন্দে মাতরম’ মন্তব্যে শর্মিলাকে কটাক্ষ কঙ্গনার
-
সাতসকালে বাড়ির বাইরে পড়ে প্রৌঢ়ার রক্তাক্ত দেহ! নেপথ্যে জমি বিবাদ?