Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Zomato

খাদ্যরসিকদের জন্য খারাপ খবর! জোম্যাটোতে খাবার অর্ডার দিতে খসবে আরও বেশি গ্যাঁটের কড়ি

গ্রাহকরা অনেকদিন ধরেই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে চলেছেন। এই পরিস্থিতিতেই এমন সিদ্ধান্ত শীর্ষস্থানীয় ফুড ডেলিভারি অ্যাপের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ২১:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ২১:০৭

options
link
খাদ্যরসিকদের জন্য খারাপ খবর! জোম্যাটোতে খাবার অর্ডার দিতে খসবে আরও বেশি গ্যাঁটের কড়ি zoom
এর আগে সেপ্টেম্বরে শেষবার বেড়েছিল জোম্যাটোর ডেলিভারি ফি।

ইরান যুদ্ধের জেরে অর্ডার কমছে ফুড ডেলিভারি সংস্থাগুলির। এই পরিস্থিতিতে এবার জোম্যাটো ঘোষণা করল তাদের প্ল্যাটফর্ম ফি বাড়ছে। অর্থাৎ এবার এই সংস্থায় খাবার অর্ডার দিতে বেশি টাকা দিতে হবে গ্রাহকদের। অর্ডার পিছু ২টাকা ৪০ পয়সা খরচ বাড়ছে বলে জানা যাচ্ছে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে।

জানা যাচ্ছে, অর্ডার পিছু প্ল্যাটফর্ম ফি এতদিন ছিল ১২ টাকা ৫০ পয়সা। যা এবার বেড়ে হল ১৪ টাকা ৯০ পয়সা। বলে রাখা ভালো, এর আগে সেপ্টেম্বরে শেষবার বেড়েছিল জোম্যাটোয় ডেলিভারি করার খরচ। এদিকে সুইগিতে প্ল্যাটফর্ম ফি ১৪ টাকা ৯৯ পয়সা। জোম্যাটোর খরচ বাড়ায় দুই সংস্থার প্ল্যাটফর্ম ফি প্রায় একই জায়গায় পৌঁছল।

Advertisement

২০০৮ সালে জোম্যাটোর ফুড ডেলিভারি পরিষেবা শুরু হয়েছিল দেশের বেশ কয়েকটি বড় শহরে। তারপর থেকে এই সংস্থা দেশের প্রতিটি ছোট-বড় শহরে ছড়িয়ে পড়ে। এক ক্লিকেই খাবার ডেলিভারি করে বাড়ি বসে তা হাতে পাওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে এই অ্যাপ বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তবে এই মুহূর্তে কেবল সুইগি নয়, অন্য সংস্থার সঙ্গেও কড়া প্রতিযোগিতায় পড়তে হচ্ছে ওই সংস্থাকে। সম্প্রতি র‍্যাপিডোও তাদের নিজস্ব ফুড ডেলিভারি পরিষেবা শুরু করেছে। এবং এখনও পর্যন্ত তারা কোনও অতিরিক্ত চার্জ বা ফি নিচ্ছে না। মনে করা হচ্ছে, তাদের এই পদক্ষেপ জোম্যাটো, সুইগির মতো শীর্ষস্থানীয় ফুড ডেলিভারি সংস্থার উপরে চাপ বাড়াচ্ছে। আসলে গ্রাহকরা অনেকদিন ধরেই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে চলেছেন। তবুও এই পরিস্থিতিতে প্ল্যাটফর্ম ফি বাড়াল জোম্যাটো। কেননা এর ফলে গ্রাহকদের বিল আরও মহার্ঘ হতে চলেছে।

এদিকে যুদ্ধের বাজারে অর্ডারের সংখ্যা কমছে বলে দাবি ডেলিভারি কর্মীদের। সব ডেলিভারি সংস্থার গিগ কর্মীরাই জানাচ্ছেন, যেভাবে একলাফে অর্ডারের সংখ্যা কমছে তাতে তাঁদের জীবিকা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। আসলে ইরান সংঘাতে এলপিজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়াতেই সব সমস্যার সূত্রপাত। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.