Advertisement
Advertisement
Bengal Election 2026

আকর্ষণীয় দেওয়াল লিখন কাটোয়া জুড়ে, ভোট-বাজারে ‘বাজার’ ফিরছে শিল্পীদের

এবছর দেওয়াল লিখনের জন্য রংয়ের চাহিদা বেড়েছে, গত বছর এতটা ছিল না বলে জানাচ্ছেন রং শিল্পীরা।

Advertisement
ধীমান রায়
ধীমান রায়

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ১৭:২৬

link
ধীমান রায়
ধীমান রায়

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ১৭:২৬

options
link
আকর্ষণীয় দেওয়াল লিখন কাটোয়া জুড়ে, ভোট-বাজারে ‘বাজার’ ফিরছে শিল্পীদের zoom
কাটোয়ায় তৃণমূলের দেওয়াল লিখন। ছবি: জয়ন্ত দাস

এবারের নির্বাচনে (Bengal Election 2026) কাটোয়া শহর থেকে গ্রামীণ এলাকায় রাজনৈতিক প্রচারের চেনা ছবি ভোটপ্রচারে প্রায় সর্বত্রই যেন বদলাতে শুরু করেছে। এযাবৎ ফ্লেক্স, ব্যানারের আধিক্য চোখে পড়ত। কিন্তু এবারের নির্বাচনে কাটোয়া শহর থেকে শুরু করে আশপাশের গ্রামীণ এলাকায় দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। ফ্লেক্সের বদলে আবারও ফিরে আসছে দেওয়াল লিখনের হিড়িক। কাটোয়া শহরে ইতিমধ্যেই পুরোদমে দেওয়াল লিখন শুরু করেছে তৃণমূল, সিপিএম। আর তাতেই ফিরছে দেওয়াল লিখনে দড় শিল্পীদের সুদিন। ভোটের বাজারে তাঁদের আয় হচ্ছে ভালোই।

এবারের নির্বাচনে কাটোয়া শহর থেকে শুরু করে আশপাশের গ্রামীণ এলাকায় দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। ফ্লেক্সের বদলে আবারও ফিরে আসছে দেওয়াল লিখনের হিড়িক। কাটোয়া শহরে ইতিমধ্যেই পুরোদমে দেওয়াল লিখন শুরু করেছে তৃণমূল, সিপিএম। আর তাতেই ফিরছে দেওয়াল লিখনে দড় শিল্পীদের সুদিন।

কাটোয়া বিধানসভায় এখনও বিজেপির প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি। এসইউসি, বহুজন সমাজ পার্টি প্রার্থীর ঘোষণা করলেও প্রচারের ময়দানে তাঁদের এখনও সেভাবে দেখা যায়নি। শহরের মোড় থেকে বাড়ির দেওয়াল – সব জায়গায় ফুটে উঠছে রাজনৈতিক স্লোগান, দলীয় প্রার্থীর নাম। অনেক করছেন। আবার স্থানীয় শিল্পীদের দিয়েই সবখানেই ফুটে উঠছে দলীয় প্রতীক, এই কাজ করানো হচ্ছে। ফ্লেক্স, ব্যানার ব্যবসায়ী জয়ন্ত বিশ্বাস বলেন, “এখনও পর্যন্ত মাত্র গুটিকয়েক ফ্লেক্সের বরাত পেয়েছিলাম। এবারে দেখছি সেভাবে অর্ডার আসেনি।” আরেক ব্যবসায়ী নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়ের কথায়, “আমরা এখনও অর্ডার পাইনি। তবে আশা রাখছি পাব। এবার ফ্লেক্সের দাম বেড়েছে। কাঁচামালের আমদানি কম।”

Advertisement

কাটোয়ার এক রংয়ের দোকানদার গোপাল বৈরাগ্য বলেন, “এবছর দেখছি দেওয়াল লিখনের জন্য রংয়ের চাহিদা বেড়েছে। আগের নির্বাচনেও এতটা সাড়া ছিল না।” এক দেওয়াল লিখন শিল্পী গোপাল দত্তের বক্তব্য, “দেওয়াল লিখনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেওয়ালে বিভিন্ন ধরনের ছড়া লেখা যায়। ভোটপ্রচারকে আরও আকর্ষণীয় করা যায়। ফ্লেক্স, হোর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ নেই। আবার সামনেই আসছে কালবৈশাখীর দিন। হোর্ডিং, ফ্লেক্স ঝড়ে নষ্ট হয়ে যায়। আবর্জনা বাড়ে। দেওয়াল লিখনের কোনও ক্ষতি হয় না।” তবে ফ্লেক্স, হোর্ডিং ছেড়ে দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে প্রচারের বিষয়টির মধ্যে সদর্থক দিক দেখতে পাচ্ছেন পরিবেশপ্রেমীরা। আবু আজাদ বলেন, “প্লাস্টিকের ব্যবহার যত কম হবে, পরিবেশের পক্ষে ততই মঙ্গল।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.