Rajnath Singh

‘ফের ভারতের অংশ হবে সিন্ধ প্রদেশ…’, পাকিস্তানকে চাপে ফেলে বোমা ফাটালেন রাজনাথ

সিন্ধি হিন্দুরা দেশভাগ মানতে পারেননি, মন্তব্য প্রতিরক্ষামন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০২৫, ২০:৪৬

options
link
‘ফের ভারতের অংশ হবে সিন্ধ প্রদেশ…’, পাকিস্তানকে চাপে ফেলে বোমা ফাটালেন রাজনাথ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বহুবার পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের ফেরানোর দাবি করছেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, রাজনাথ সিংয়ের মতো বিজেপির শীর্ষ নেতারা। এবার পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশ ভারতে ফেরানোর দাবি করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ। রবিবার একটি সভায় তিনি বলেন, সিন্ধ বর্তমানে ভারতের অংশ নয়, কিন্তু সীমান্ত বদলে যেতেই পারে। ওই অঞ্চল ভারতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

Advertisement

১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় পাকিস্তানের অংশ হয় সিন্ধু নদী তীরবর্তী প্রদেশ সিন্ধ। সেখানকার বহু বাসিন্দা জন্মভিটা ছেড়ে চলে আসতে বাধ্য হন। রাজনাথের বক্তব্য, এলকে আডবাণীর মতো সিন্ধি হিন্দুরা কোনদিনই সিন্ধ অঞ্চলের পাকিস্তানে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারেননি। তিনি বলেন, “আমি উল্লেখ করতে চাই যে লালকৃষ্ণ আডবাণী তাঁর একটি বইতে লিখেছিলেন যে সিন্ধি হিন্দুরা, বিশেষ করে তাঁর প্রজন্মের লোকেরা, এখনও ভারত থেকে সিন্ধু প্রদেশের বাদ চলে যাওয়া মেনে নিতে পারেননি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাজনাথ আরও বলেন, “শুধু সিন্ধের লোকেরাই নয়, গোটা ভারত মনে করে সিন্ধু পবিত্র নদী। সিন্ধের অনেক মুসলমানও বিশ্বাস করতেন যে সিন্ধু নদীর জল মক্কার আব-এ-জমজমের চেয়ে কম পবিত্র নয়, এটি আদভানিজির উক্তি।” এরপরই ভারতের প্রতিরক্ষমন্ত্রীর মন্তব্য করেন, “আজ সিন্ধুভূমি ভারতের অংশ নাও হতে পারে, কিন্তু সভ্যতার দিক থেকে সিন্ধু সর্বদা ভারতের অংশই থাকবে। কিন্তু সীমানা পরিবর্তন হতেই পারে। কে জানে… আগামীকাল সিন্ধু আবার ভারতে ফিরেও আসতে পারে! সিন্ধু নদীকে পবিত্র মনে করা সিন্ধুর মানুষরা সর্বদা আমাদের কাছের মানুষই থাকবে। তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তারা সর্বদা আমাদের আপনজনই থাকবে।”

Advertisement

গত ২২ সেপ্টেম্বর মরোক্কোয় একটি অনুষ্ঠানে রাজনাথ বলেন, কোনও রকম সংঘাত ছাড়াই পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতে ফিরবে। যেহেতু পিওকের বাসিন্দারাই দখলদারদের থেকে মুক্তি চাইছেন। তিনি বলেন, “পাক অধিকৃত কাশ্মীর আমাদের নিজস্ব হবে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে দাবি উঠতে শুরু করেছে, আপনারা নিশ্চয়ই স্লোগান শুনেছেন।” উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পিওকে প্রশাসনের সঙ্গে বার বার সংঘাত হয়েছে। এমনকী পাক সরকারের বিরুদ্ধে পিওকেতে দমন পীড়নের অভিযোগও উঠেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন