সাংবাদিক

চোখে আঘাত করে সাংবাদিকের ছেলেকে খুন, নৃশংস ঘটনায় বিহারে চাঞ্চল্য

সূত্রের খবর, মানসিক ভারসাম্যহীন মৃত চুন্নু কুমার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০১৯, ১৭:৪০

options
link
চোখে আঘাত করে সাংবাদিকের ছেলেকে খুন, নৃশংস ঘটনায় বিহারে চাঞ্চল্য

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী থাকল বিহারের নালন্দা। এক কিশোরের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হল ওই এলাকা থেকে। জানা গিয়েছে, মৃত কিশোর বিহারের এক সাংবাদিকের সন্তান। অভিযোগ, হত্যার আগে ক্ষতবিক্ষত করে দেওয়া হয়েছিল ওই কিশোরের চোখ। কিন্তু কী কারণে এই ঘটনা। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতই বা কারা, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জের, ৭২ ঘণ্টার জন্য যোগীর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা কমিশনের]

রবিবার বিকেলে বিহারের নালন্দা এলাকায় এক কিশোরের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে। নালন্দার এসপি নীলেশ কুমার বলেন, মৃতের চোখ থেকে প্রবল রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। এছাড়া দেহে কোনও ক্ষতচিহ্ন মেলেনি। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, আগে কিশোরের দু’টি চোখই ক্ষতবিক্ষত করে দেয় অভিযুক্তরা। এরপর, তাকে খুন করা হয়। ইতিমধ্যেই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই স্পষ্ট হবে কীভাবে খুন করা হয়েছে ওই কিশোরকে, জানান তদন্তকারীরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরের অনন্তনাগে মেহবুবা মুফতির কনভয়ে পাথর হামলা]

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে খবর, আংশিকভাবে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বিখ্যাত সাংবাদিক আশুতোষ কুমারের ছেলে চুন্নু কুমার। জানা গিয়েছে, মানসিক সমস্যা থাকার ফলে এলাকার লোকেদের সঙ্গে অশান্তি লেগেই থাকত চুন্নুর। স্থানীয়দের অনুমান, এদিন বিকেলেও হয়তো এলাকার কারও সঙ্গে অশান্তিতে জড়িয়ে পড়েছিল ওই কিশোর। দু’পক্ষের বচসার জেরেই খুনের ঘটনা বলে প্রাথমিক অনুমান। গোটা বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। তবে সত্যিই কি সামান্য বচসার জেরেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড? এলাকার কেউ-ই কি জড়িত গোটা ঘটনায়? না কী ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় শোকের ছায়া কিশোরের পরিবারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.