Sonam Wangchuk

কাঁদছে নিটে মৃত পড়ুয়া-পরিবার, বিলাসবহুল হোটেলে উদ্দাম নাচ ‘আরশোলা’র! সংযমের বার্তা ‘ক্ষিপ্ত’ সোনমের

এদিকে টানা ৩৬ দিন বিক্ষোভের পর গত শনিবার আন্দোলনকারীদের সমস্ত দাবি মেনে নেয় সরকার। ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র। কিন্তু দাবি পূরণের পর এই আন্দোলনের মূল ভিত সোনমকেই ‘ভুলে যান’ ককরোচ প্রধান অভিজিৎ দীপকে। ন্যূনতম ধন্যবাদ পর্যন্ত তাঁকে জানাননি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২৬, ১৭:২৮

options
link
কাঁদছে নিটে মৃত পড়ুয়া-পরিবার, বিলাসবহুল হোটেলে উদ্দাম নাচ ‘আরশোলা’র! সংযমের বার্তা ‘ক্ষিপ্ত’ সোনমের
‘আরশোলা’দের উদযাপনে সংযমের বার্তা সোনমের।

নিট প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মঘাতী হয়েছেন বহু পড়ুয়া। একদিকে কাঁদছে মৃত সেই পড়ুয়াদের পরিবার। অন্যদিকে, বিলাসবহুল হোটেলে বলিউডি গানের সঙ্গে উদ্দাম নাচে মেতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র অন্যতম মুখ সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা-সহ বেশ কয়েকজনকে। সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই শোরগোর পড়ে গিয়েছে। বিতর্কের মুখে এবার মুখ খুললেন পরিবেশকর্মী তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক।

Advertisement

‘ক্ষিপ্ত’ সোনম তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘উদযাপনের অবশ্যই বিনয় থাকতে হবে। সাফল্য অর্জনের মতোই সম্মান ও বিনয় বজায় রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মর্যাদা, সংযম ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে উদযাপন করুন।’ তিনি আরও যোগ করেন যে, ‘প্রকৃত সাফল্য কেবল লক্ষ্য অর্জনেই নিহিত নয়, বরং সেই সাফল্যকে কীভাবে গ্রহণ বা স্বীকার করা হচ্ছে, তার মধ্যেও নিহিত।’

Advertisement

সম্প্রতি সিজেপিরই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা হয়েছে বিতর্কিত ভিডিওটি। ক্যাপশানে লেখা ‘ইস্তফার খুশিতে’। বলা বাহুল্য, এই ইস্তফা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ আন্দোলনের পর নিজেদের ‘জয়’ উদযাপন করছে সিজেপি সদস্যরা। দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা-সহ অন্যদের বলিউডি গানের তালে নাচতে দেখা গিয়েছে। এই ভিডিও নিয়ে নেটপাড়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। অধিকাংশই প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের শিক্ষার্থীরা এখনও আন্দোলনের আঁচে রয়েছেন, কাঁদছে মৃত নিট পড়ুয়াদের পরিবার, সেই সময়ে এই উদযাপন কতটা যথাযথ!

Advertisement

এদিকে টানা ৩৬ দিন বিক্ষোভের পর গত শনিবার আন্দোলনকারীদের সমস্ত দাবি মেনে নেয় সরকার। ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র। কিন্তু দাবি পূরণের পর এই আন্দোলনের মূল ভিত সোনমকেই ‘ভুলে যান’ ককরোচ প্রধান অভিজিৎ দীপকে। ন্যূনতম ধন্যবাদ পর্যন্ত তাঁকে জানাননি। ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার পর শনিবার যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত হয় বিজয় উৎসব। কিন্তু সেখানে একবারের জন্যও পরিবেশকর্মীর নাম উচ্চারণ করেনি ‘আরশোলা’রা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.