Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Sonam Wangchuk

‘ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগ সূচনামাত্র’ বললেও ভিন্ন সুর সোনমের! ‘ককরোচ’ আন্দোলনে ফাটল?

টানা ৩৬ দিন বিক্ষোভের পর গত শনিবার আন্দোলনকারীদের সমস্ত দাবি মেনে নেয় সরকার। ইস্তফা দেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও। কিন্তু দাবি পূরণের পর এই আন্দোলনের মূল ভিত সোনমকেই ‘ভুলে যান’ ককরোচ প্রধান অভিজিৎ দীপকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৬, ২২:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৬, ২২:১১

options
link
‘ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগ সূচনামাত্র’ বললেও ভিন্ন সুর সোনমের! ‘ককরোচ’ আন্দোলনে ফাটল? zoom
(বাঁ দিকে) ককরোচ প্রধান অভিজিৎ দীপকে এবং পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক (ডান দিকে)।
Advertisement

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-কে সমর্থন করে সুদূর সুইজারল্যান্ড থেকে ভারতে ছুটে এসেছিলেন শিক্ষাবিদ তথা পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। টানা ২৫ দিন অনশন করেন তিনি। মূলত তাঁর উপর ভর করেই দিল্লির বুকে বিশাল আন্দোলন শুরু করে ‘আরশোলা’রা। কিন্তু সেই সিজেপির সঙ্গেই এবার দূরত্ব তৈরি হল সোনমের? ফাটল ‘ককরোচ’ আন্দোলনে? তেমনই ইঙ্গিত মিলছে।

টানা ৩৬ দিন বিক্ষোভের পর গত শনিবার আন্দোলনকারীদের সমস্ত দাবি মেনে নেয় সরকার। ইস্তফা দেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও। কিন্তু দাবি পূরণের পর এই আন্দোলনের মূল ভিত সোনমকেই ‘ভুলে যান’ ককরোচ প্রধান অভিজিৎ দীপকে। ন্যূনতম ধন্যবাদ পর্যন্ত তাঁকে জানাননি। ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার পর শনিবার যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত হয় বিজয় উৎসব। কিন্তু সেখানে একবারের জন্যও পরিবেশকর্মীর নাম উচ্চারণ করেনি ‘আরশোলা’রা। তখনই থেকেই জল্পনা বাড়ছিল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোমবার গুরুগ্রামের বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে সোনম পৌঁছে যান দিল্লির রাজঘাটে। শ্রদ্ধা জানান মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেখানে ‘ককরোচ’দের কোনও নেতাকেই দেখা যায়নি। ছিল না ভিড়ও। সোনম বলেন, “আমি বাপুকে (মহাত্মা গান্ধী) শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছিলাম। তাঁর পথ ১০০ বছর আগের মতো আজও প্রাসঙ্গিক। অনেকে বলেছিলেন, এই সরকারের উপর এ ধরনের কৌশল কাজ করবে না। কিন্তু মূল বিষয়টি হল জনগণের কাছে বার্তাটি পৌঁছে দেওয়া। কারণ, শেষ পর্যন্ত সব সরকারই জনগণের কথা শোনে।” সোনমের কথায়, “এই আন্দোলন লাঠিচার্জ বা পাথর ছোড়ার কারণে সফল হয়নি, বরং সফল হয়েছে শান্তিপূর্ণ হওয়ার জন্য। ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগ সূচনামাত্র। সংস্কারের মাধ্যমে দেশের উন্নতি হবে। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ আমাদের সাংবিধানিক অধিকার।” পাশাপাশি, তিনি উল্লেখ করেন, “আশা করি সরকার যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা রক্ষা করা হবে এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।”

‘শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী’-এই কথাটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ‘আরশোলা’রা বারবার দাবি জানিয়ে এসেছে, কোনও আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। এমনকী সরকারকে তা মানাতে বাধ্যও করিয়েছে তারা। কিন্তু সোনমের গলায় ভিন্ন সুর। তাঁর মতে, যাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া উচিত নয়। এ থেকেই স্পষ্ট যে সোনম এবং ‘ককরোচ’ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের ফলে সোনম কার্যত স্বীকার করে নিলেন, আন্দোলনের নামে অরাজকতা সৃষ্টি করেছিল কিছু দুষ্কৃতী। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.