জেন জি আন্দোলনের জেরে শিক্ষা পরিকাঠামোয় এসেছে বড় পরিবর্তন। পড়ুয়াদের দাবি মেনে শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছেড়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর স্থানে এসেছেন প্রহ্লাদ যোশী। কিন্তু কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী কোন পক্ষে ছিলেন? গত কয়েকদিন ধরে দেশে যা যা ঘটে গিয়েছে, তা নিয়ে নির্মলা সীতারমনের (Nirmala Sitharaman) মতামত ঠিক কী?
সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। আর সেখানে একদিকে যেমন ছাত্র আন্দোলনকে পরোক্ষে সমর্থন করে মন্তব্য করেছেন, “অন্যায় দেখলে তরুণরা তো গর্জে উঠবেই!” তেমনই আবার নরেন্দ্র মোদি সরকারের পক্ষেও বলেছেন, “কেন্দ্র কিন্তু কখনওই ছাত্রদের এই প্রতিবাদ বন্ধ করার চেষ্টা করেনি।” এই প্রসঙ্গে নিজের জেএনইউ-র ছাত্র রাজনীতির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নির্মলা জানিয়েছেন, প্রতিটি প্রজন্মের তরুণরাই ভুল কিছু দেখলে প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। তারা সঠিক, দ্রুত এবং কার্যকরী পদক্ষেপ চায়, যা স্বাভাবিক। কিন্তু সরকারের দিকটাও দেখতে হবে। সরকার এই আন্দোলনকে হালকাভাবে নেয়নি বা থামানোর চেষ্টা করেনি। পড়ুয়াদের আন্দোলন করতে দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি, তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সরকারের ভাষা আরও সহজ হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
কিন্তু কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে এত সময় কেন নিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান? নির্মলার ব্যাখ্যা, “প্রশ্নফাঁসের খবর সামনে আসার পর প্রথম কাজই ছিল অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা এবং দ্রুত পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা, যাতে শিক্ষার্থীদের একটি গোটা বছর নষ্ট না হয়।” তাঁর মতে, শিক্ষামন্ত্রী হিসাবে ধর্মেন্দ্র সেই পুনর্মূল্যায়ন ও পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার কাজই সম্পন্ন করেন এবং ফল প্রকাশের পরই ইস্তফা দেন। আগেই সরলে তা পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের প্রতি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ হত।”
সর্বশেষ খবর
-
EXCLUSIVE: বিয়ের পিঁড়িতে মিমি চক্রবর্তী! কাকে জীবনসঙ্গী বাছছেন টলি নায়িকা?
-
মোবাইলে নেটওয়ার্কের সমস্যা, টেলিকম কর্মীকে ধরে টাওয়ারে বেঁধে রাখল গ্রামবাসী!
-
মমতার জোটের ডাক উপেক্ষা! উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা কংগ্রেসের
-
আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বারাকপুরে বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে রেইকি ৩ যুবকের! পুলিশের জালে ১
-
রাজ্যজুড়ে সক্রিয় ভুয়ো চিকিৎসক চক্র! ২ চিকিৎসককে কাঠগড়ায় তুলে স্বাস্থ্যদপ্তরে চিঠি