Sonam Wangchuk

‘আরশোলা’দের উপর লাঠিচার্জের পর অনশন ভাঙতে নয়া শর্ত সোনমের, চিঠি কেন্দ্রকে

Sonam Wangchuk Hunger Strike: ২৬ দিন টানা অনশনে রয়েছেন সোনম। বর্তমানে তিনি ভর্তি গুরুগ্রামের বেসরকারি হাসপাতাল ‘মেদান্তে’। তাঁকে অনশন ভাঙতে অনুরোধও করেছেন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি অনড়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০২৬, ১৯:৪৬

options
link
‘আরশোলা’দের উপর লাঠিচার্জের পর অনশন ভাঙতে নয়া শর্ত সোনমের, চিঠি কেন্দ্রকে
পরিবেশকর্মী তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। ছবি: সংগৃহীত।

‘আরশোলা’দের উপর লাঠিচার্জের পর অনশন প্রত্যাহারে রাজি পরিবেশকর্মী তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। এবার নয়া শর্ত দিলেন তিনি। জানিয়ে দিলেন, সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে যাতে প্রতিবাদী ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হয়। তবেই তিনি অনশন ভাঙবেন। এই মর্মে কেন্দ্রকে তিনি একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন বলে খবর।

Advertisement

২৫ দিন টানা অনশনে রয়েছেন সোনম। বর্তমানে তিনি ভর্তি গুরুগ্রামের বেসরকারি হাসপাতাল ‘মেদান্তে’। তাঁকে অনশন ভাঙতে অনুরোধও করেছেন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি অনড়। বুধবার হাসপাতাল থেকেই তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সেখানে সোনম লিখেছেন, ‘গত ২০ জুলাই সংসদ অভিযানে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সত্ত্বেও পুলিশ আন্দোলনকারীদের উপর বলপ্রয়োগ করেছে। আমি আশা করি, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হবে না। তাঁদের হেনস্তা করা হবে না। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি আস্থা যেন আর ক্ষুণ্ণ করা না হয়।’

Advertisement

সোনম আরও লেখেন, ‘কেন্দ্রের তরফ থেকে এই আশ্বাস মিললে আমি আমার অনশন প্রত্যাহার করে নেব। আমি বিশ্বাস করব যে সরকার আমার এবং লক্ষ লক্ষ তরুণ ভারতীয়দের কথা শুনেছে। কিন্তু যদি আশ্বাস না মেলে, তাহলে আমি অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন চালিয়ে যেতে বাধ্য হব। আমি এ-ও আশা করি যে, এই আন্দোলন দমাতে পুলিশ আর বলপ্রয়োগ করবে না।’ অন্যদিকে, হাসপাতালে তাঁর সঙ্গে দেখা করে অনশন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানোর জন্য সোনম মন্ত্রীদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

Advertisement

এদিকে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচিকে মাথায় রেখে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে দেশের রাজধানী। বুধবারও দেশের নানা প্রান্ত থেকে যন্তর মন্তরে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পড়ুয়ারা। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দিল্লি পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ থেকে অতিরিক্ত ২০ কোম্পানি সিআরপিএফ জওয়ানকে জরুরি ভিত্তিতে এয়ারলিফট করে দিল্লি এনেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.